প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের মধ্যে প্রায় পাঁচ কোটিই তরুণ, নির্বাচনী লড়াইয়ে তাঁদের গুরুত্ব থাকাটাই স্বাভাবিক। সেই গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে তুলেছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান। কারণ, এর নেতৃত্বে ছিলেন তরুণেরা। দুই মিলিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হার–জিত তরুণ ও নতুন ভোটাররাই নির্ধারণ করে দিতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।
এই তরুণ ভোটারদের ভোট কার বাক্সে যাবে, তা আগাম ধারণা করা কঠিন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার বা অপপ্রচার তরুণদের প্রভাবিত করবে বলেই ধরে নেওয়া যায়। তাই ‘ডিজিটাল’ এই প্রজন্মের ভোট টানতে রাজনৈতিক দলগুলোকেও নতুন কৌশল সাজাতে হচ্ছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে দেশের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তাতে দেখা যায়, বর্তমানে দেশে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ। দেশে সর্বশেষ প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর, নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ওই নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৮ কোটি ১১ লাখ। অর্থাৎ ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর ৪ কোটি ৬৬ লাখ নতুন ভোটার যুক্ত হয়েছেন, যা মোট ভোটারের সাড়ে ৩৬ শতাংশ।
নতুন এই ভোটারদের বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। ১৮ থেকে ৩৯ বছর বয়সসীমার ভোটারদেরই তরুণ ভোটার বলে বেশির ভাগ গণতান্ত্রিক দেশে সংজ্ঞায়িত করা হয়। তা হিসাবে ধরলে বাংলাদেশে তরুণ ভোটারের সংখ্যা পাঁচ কোটি হয়ে যায়।
১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী মানুষদের বিশেষভাবে বিবেচনায় নেওয়ার একটিই কারণ—তা হলো ভোটার হওয়ার পর তাঁরা কোনো প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন দেখেননি। ২০১৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও তাঁদের মিত্র দলের ১৫৩ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ অধিকাংশ বিরোধী দল ওই নির্বাচন বর্জন করে, যা কলঙ্কিত ভোট হিসেবে আখ্যায়িত হয়। ২০১৮ সালে সব রাজনৈতিক দল অংশ নিলেও ভোটের আগের রাতেই আওয়ামী লীগ ও তাদের মিত্রদের পক্ষে সিল মেরে বাক্স ভরে রাখা হয়, যা ‘রাতের ভোট’ নামে খ্যাত। ২০২৪ সালের নির্বাচনও হয় প্রায় সব বিরোধী দলের বর্জনের মধ্যে, যা ‘আমি আর ডামি’ নির্বাচন হিসেবে পরিচিতি পায়। ফলে আগামী নির্বাচনে নতুন ভোটাররা ভোট দিতে উদগ্রীব থাকবেন, এমনটা ভাবা অস্বাভাবিক নয়।
তরুণ ও অন্য ভোটারদের মধ্যে চাওয়ার কিছু মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। তরুণেরা চাকরিতে বৈষম্য নিরসনের দাবিতেই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সূচনা করেছিলেন। ফলে তাঁদের কাছে আয়-রোজগার বা চাকরির নিশ্চয়তাই সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার হয়ে ওঠে। তরুণদের আন্দোলনের আরেকটি দিক ছিল—মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও ন্যায্যতা আদায়। ইন্টারনেট বন্ধের কারণে তাঁরা ফুঁসে উঠেছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর সরকার ও দেশের রাজনীতিতে সংস্কারের দাবিও তরুণদের দিক থেকে আসছে। ফলে তাঁদের চাহিদাকে আলাদা গুরুত্ব দিতে হবে ভোটপ্রার্থী দলগুলোকে।
মিম, ইনফ্লুয়েন্সারে প্রচার
গত নভেম্বরে নিউইয়র্ক নগরের মেয়র নির্বাচনে সবাইকে চমকে দিয়ে জয়ী হন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী জোহরান মামদানি। যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে জনবহুল নগরের প্রথম মুসলিম মেয়রের চেয়ারে এখন এই তরুণ। পশ্চিমা পণ্ডিতেরা মোটামুটি একমত যে মামদানির ঐতিহাসিক এ জয়ের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা বিভিন্ন ভিডিও। নির্বাচনী প্রচারকৌশল এভাবেই সাজিয়েছিলেন তিনি।
মামদানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে নিজের এমন এক অকৃত্রিম ও প্রাণবন্ত ভাবমূর্তি তৈরি করেছেন, যা নিউইয়র্কের মানুষদের আকৃষ্ট করেছে। বিশেষ করে সারা দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডুবে থাকা তরুণ প্রজন্মের সমর্থন আদায়ে সফল হয়েছে তাঁর এ প্রচার কৌশল।
এই তরুণ ভোটাররা মূলত ‘ডিজিটাল প্রজন্ম’। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন সংবাদমাধ্যম এবং ইউটিউব-ফেসবুকভিত্তিক রাজনৈতিক আলোচনা তাঁদের প্রধান তথ্যসূত্র। বর্তমানে বিভিন্ন দেশের নির্বাচনে শর্টস–রিলসের মতো ছোট ভিডিওর পাশাপাশি ‘মিম’–এর ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। মিম হলো মূলত হাস্যকর ছবি, ভিডিও বা লেখার কনটেন্ট; যা মানুষকে বিনোদন দিয়ে থাকে। হাস্যরসের পাশাপাশি মিমে ব্যঙ্গও করা হয় অনেক সময়। যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের নির্বাচনে টিকটকের ভূমিকাও কম নয়।
এবার বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও প্রচলিত রাজনৈতিক প্রচারণার ধরন বদলাবে। ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশন পোস্টার নিষিদ্ধ করেছে। তাই বড় সমাবেশের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচার বড় প্রভাবক হবে। ইতিমধ্যে তা দেখাও যাচ্ছে।
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে থেকেই বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুকে তাদের ন্যারেটিভ বা বয়ান হাজির করছে। এক পক্ষ অন্য পক্ষকে ঘায়েল করার চেষ্টা করছে নিজেদের বয়ান দিয়ে। এর মধ্যে বিকৃত ও ভুয়া তথ্য ছড়ানোর অভিযোগও বিস্তর। ফলে রাজনৈতিক দলগুলোকে ভুয়া ও বিকৃত তথ্য মোকাবিলায় বাড়তি মনোযোগ দিতে হচ্ছে।
দেশি–বিদেশি অনেক ইনফ্লুয়েন্সার বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ বিভিন্ন দলের পক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার চালাচ্ছেন। এসব ইনফ্লুয়েন্সারের কারও কারও অনুসারী লাখ লাখ। তাঁদের প্রতিটি ফেসবুক পোস্ট কিংবা ভিডিওতে কয়েক লাখ প্রতিক্রিয়া হয়।
বয়ানের লড়াই
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় নির্বাচনের মাঠে আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতির মধ্যে বিএনপির সমর্থকেরা এখন মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতের ভূমিকা সামনে আনছেন। জামায়াতের দেশ পরিচালনার মতো দক্ষতা নেই—এটিও বলার চেষ্টা করছেন তাঁরা। বিএনপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক জোর দিচ্ছে। দলটির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে অনুসারী ৪৭ লাখ। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অনুসারী ৫৫ লাখ। এ ছাড়া জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়াসহ জিয়া পরিবারের সদস্যদের নামে অসংখ্য ফেসবুক পেজ আছে। এগুলোর অনুসারীর সংখ্যাও কয়েক লাখ করে। অঙ্গসংগঠন, এমনকি জেলা–উপজেলা কমিটিরও আলাদা ফেসবুক পেজ রয়েছে।
জামায়াতে ইসলামী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারে জোর দিচ্ছে এই বলে যে বিএনপি ও আওয়ামী লীগকে অতীতে দেখা হয়েছে। একবার জামায়াতকে ভোট দিয়ে দেখুন। জামায়াতের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে ৩০ লাখের মতো অনুসারী আছে। দলটির আমির শফিকুর রহমানের অনুসারী ২২ লাখ। এ ছাড়া ‘বাঁশেরকেল্লা’ নামে একাধিক ফেসবুক পেজ থেকে জামায়াতের নানা খবর, তথ্য ও বয়ান প্রচার করা হয়। জামায়াতেরও প্রতিটি অঙ্গসংগঠন, জেলা–উপজেলা কমিটি এবং সহযোগী সামাজিক–সাংস্কৃতিক সংগঠন সামাজিক মাধ্যমে তৎপর আছে।
এনসিপির অনেক প্রার্থী নিজেদের নতুন ধারার রাজনীতিক হিসেবে তরুণদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শীর্ষ নেতাদের অনেকেরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিপুলসংখ্যক তরুণ অনুসারী রয়েছেন। তাদের কাছে নিজেদের বার্তা দিচ্ছেন নিয়মিত। এর মধ্যে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের ফেসবুক অনুসারী ১৪ লাখ। দলটির অন্যান্য নেতার প্রায় সবার কয়েক লাখ করে অনুসারী। তাঁরা ফেসবুকে কোনো স্ট্যাটাস বা তথ্য দিলে হাজার থেকে কয়েক লাখ পর্যন্ত মানুষ লাইক–কমেন্ট করেন। এনসিপির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজেরও অনুসারী ১৪ লাখ। এর বাইরে জুলাই রেভোল্যুশনারি অ্যালায়েন্স, এনসিপির সমর্থক গোষ্ঠীসহ নানা ফেসবুক পেজ থেকে দলটি এবং তাদের নেতাদের পক্ষে নানা বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে।
তরুণেরা এবারের ভোটে ফলাফল নির্ধারণী ভূমিকা নেবেন বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, তরুণেরা শুধু নিজেরা ভোট দেবেন না, তাঁরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সাহায্যে বড় প্রভাব তৈরি করবে। ৬০ ভাগের বেশি ভোট এবার তরুণেরা নিয়ন্ত্রণ করবেন।
তরুণদের আকৃষ্ট করার বিষয়ে আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘তরুণদের সঙ্গে আমাদের চিন্তাগত মিল আছে, বয়সের দিক থেকেও মিল আছে। এনসিপি তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, বিদ্যমান কর্মসংস্থানে স্বচ্ছ নিয়োগপ্রক্রিয়া, চাকরির নিশ্চয়তা, তরুণদের দক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য যথাযথ উদ্যোগের পক্ষে কাজ করবে।’
এনসিপি থেকে পদত্যাগ করে স্বতন্ত্র নির্বাচন করছেন ডা. তাসনিম জারা। ফেসবুকে তাঁর অনুসারী ৭০ লাখ। নির্বাচনী ব্যয় মেটাতে ফেসবুকে অনুদান আহ্বান করলে ২৯ ঘণ্টার মধ্যে ৪৭ লাখ টাকা ওঠে। আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির মহাসচিব আসাদুজ্জামান ফুয়াদ ফেসবুকে নির্বাচনী ব্যয় মেটাতে অনুদান আহ্বান করলে প্রায় ৪০ লাখ টাকা ওঠে, যা তাঁর প্রত্যাশার চেয়ে বেশি ।
তরুণদের খুশি করতে তৎপর রাজনৈতিক দল
এবারের নির্বাচনে বিএনপির স্লোগান হচ্ছে ‘তারুণ্যের প্রথম ভোট ধানের শীষের পক্ষে হোক’। এই লক্ষ্যে গত বছর মে মাসজুড়ে তিন সংগঠন—জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল নানা কর্মসূচি পালন করে। এর মধ্যে ছিল সমাবেশ ও সেমিনার। এসব কর্মসূচির নাম দেওয়া হয় ‘তারুণ্যের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সমাবেশ’।
২০২৫ সালের নভেম্বরে বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়, আগামী দিনে ক্ষমতায় গেলে দেশি–বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। বাংলাদেশে তরুণ প্রজন্মের সবচেয়ে বড় চাহিদা হচ্ছে কর্মসংস্থান। তাদের আকৃষ্ট করতেই দলটির এই চেষ্টা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের ছাত্রসংগঠন ছাত্রশিবিরের প্যানেল নিরঙ্কুশ বিজয় পেয়েছে। তরুণ ভোটারদের টানতে এই উদাহরণ প্রচার করছে জামায়াত। এ ছাড়া দলের মনোনয়নেও অপেক্ষাকৃত তরুণদের এবার বেশি মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। জামায়াতের সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, জামায়াতের ঘোষিত সম্ভাব্য প্রার্থীদের ৭০ থেকে ৮০ জন যুবক। ৫০ বছরের কম বয়সী প্রার্থী দুই–তৃতীয়াংশ।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ প্রথম আলোকে বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের মূল চরিত্র তরুণ ও শিক্ষার্থীরা। জামায়াতের গণ–অভ্যুত্থান এবং তরুণ প্রজন্ম—এই দুটিকেই ধারণ করে। ফলে তরুণেরা জামায়াতকে বেছে নেবে। এ ছাড়া তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়টি ইশতেহারে স্পষ্টভাবে রাখা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, সামাজিক মাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তারা যথাসাধ্য এর সৎ ব্যবহারের চেষ্টা করছেন।
তরুণদের নেতৃত্বাধীন দল এনসিপির সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতা করেছে জামায়াত। তরুণ ভোটারদের টানতে জামায়াত এই কৌশল নিয়েছে বলে মনে করা হয়। তবে জামায়াতের সঙ্গে জোটের কারণে এনসিপি থেকে অনেক নারী নেত্রী ও নেতা দল ছেড়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব বিষয় নিয়ে পাল্টাপাল্টি যুক্তি দেওয়া চলছে।
যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি লেখক ও শিক্ষক অধ্যাপক ফাহমিদুল হক প্রথম আলোকে বলেন, তরুণেরা ফলাফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবচেয়ে বেশি তৎপর বলে তরুণদের আকৃষ্ট করতে কৌশল দরকার। নিউইয়র্কের মেয়র নির্বাচনে এন্ড্রু কুমোর প্রচার বাজেট জোহরান মামদানির চেয়ে বেশি ছিল; কিন্তু তরুণদের যুক্ত করে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে মামদানি কম বাজেটে এগিয়ে যান।
তবে অধ্যাপক ফাহমিদুল হক সতর্ক করে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দিয়ে নির্বাচনে ভোটারদের আকৃষ্ট করা যেমন সহজ, তেমনি অপতথ্য ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানোও সহজ। এ বিষয়ে সতর্ক হতে হবে।
