এ সময় হাছান মাহমুদ আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষকে খাদ্য জোগান দেওয়াই একটা বড় চ্যালেঞ্জ। পঞ্চাশের দশকে যখন এই জনপদের জনসংখ্যা সাড়ে পাঁচ কোটি ছিল, তখন থেকেই এখানে খাদ্যঘাটতি দেখা দেয়। প্রতিবছর কৃষিজমির পরিমাণ ১ শতাংশ করে কমছে। এখন আমাদের জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি। তবু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করেছেন।’

‘কিন্তু কৃষি খাত থেকে মিথেন ও কার্বন নিঃসরণ কমাতে বলা হলে সেটি আমাদের জন্য বাড়তি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়’ বলে উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের কৃষি খাতে কার্বন নিঃসরণ কমাতে বলা হলেও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত রেখেই কৃষিকে জলবায়ুসহিষ্ণু করতে হবে। খাদ্যনিরাপত্তা বিঘ্নিত করে আমরা কিছু করতে পারব না।’

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. হাবিবুর রহমান হোছাইনীর সঞ্চালনায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুজ্জামান, পরিবেশবিদ সেলিম উল হক, বিশ্ব খাদ্য সংস্থার প্রতিনিধি ন্যান্সি আবুরটো, গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইম্প্রুভড নিউট্রিশনের (গেইন) নির্বাহী পরিচালক লরেন্স হাদ্দাদ এই সেশনে অংশ নেন।