দেশে নারীদের প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার ও বুলিং বেড়ে গেছে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে ভালো পরিবারের নারীরা রাজনীতিতে আসবেন না।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে এ কথা বলেন জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সেলিনা সুলতানা নিশিতা। নির্বাচন কমিশনের কাছে সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি ও জামায়াত জোটের প্রার্থীরা পৃথকভাবে মনোনয়নপত্র জামা দেন।
নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া শেষে সেলিনা সুলতানা বলেন, ‘আমরা যতই নারী শাসন বা আইনের শাসনের কথা বলি না কেন, ৫ আগস্টের পরে বাংলাদেশে কী হচ্ছে, আপনারা একটু দেখবেন। আমরা কেন সাইবার বুলিংয়ের শিকার হব? আপনার মা, বোন বা কন্যাকে কি আপনি এভাবে কথা বলতে পারেন?’
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান সেলিনা সুলতানা। তিনি ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সংগঠনটির ইডেন মহিলা কলেজ শাখার সাবেক সভাপতি। বিএনপির অন্য প্রার্থীরাও মনোনয়নপত্র জমা দেন।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া শেষে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, ‘আমি এত দিন নিজ এলকায় কাজ করেছিলাম। স্বীকৃতি ছিল না। আজ স্বীকৃতিও পেলাম। তাই দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা।’ তিনি দল ও দেশের জন্য কাজ করার জন্য সবার সহযোগিতা চান।
বিএনপির আরেক নারী প্রার্থী দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য বিলকিস ইসলাম মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে বলেন, ‘বিএনপির যে স্লোগান—“সবার আগে বাংলাদেশ”—সেটাকে মাথায় রেখে বাংলাদেশকে বিশ্বের মঞ্চে পৌঁছে দিতে আমি কাজ করব।’
গতকাল সোমবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে ৩৬ জন প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করেছে বিএনপি।
মনোনয়ন পাওয়া ৩৬ জনের মধ্যে ১০ জন সাবেক সংসদ সদস্য, বিএনপি নেতাদের স্ত্রী ও কন্যা ৭ জন, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ৪ জন, ছাত্রদল থেকে উঠে আসা ৬ নেত্রী এবং গত নির্বাচনে পরাজিত ৩ প্রার্থী রয়েছেন। এ ছাড়া বিএনপিসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের আরও সাত নেত্রীও মনোনয়ন পেয়েছেন।