সংশ্লিষ্ট আদালতের সরকারি কৌঁসুলি তাপস কুমার পাল প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তাবিথ মামলায় বনানী থানার ওসি নূরে আজম মিয়াসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে মামলা নেওয়ার আবেদন করেছেন। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. আসাদুজ্জামান তাবিথের জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন। তবে মামলা গ্রহণ বিষয়ে আদালত কোনো আদেশ দেননি।

মামলায় অন্য যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, তাঁরা হলেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি কাদের খান, বনানী থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি জসিম উদ্দিন, বনানী থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মীর মোশাররফ হোসেন, বনানী থানার স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আমজাদ হোসেন, মফিজুর রহমান, নাছির, মোহাম্মদ বাবু, শ্যামল, দোলন, রনি, ববি, সাগর, মামুন, ফারুক ও শফিক।

মামলায় তাবিথ আউয়াল অভিযোগ করেছেন, গত ১৭ সেপ্টেম্বর রাত পৌনে আটটার দিকে বনানীর কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউয়ে বিএনপির মোমবাতি প্রজ্বালন কর্মসূচি ছিল। সেখানে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালিত হয়। পরে সেখানে আওয়ামী লীগের নেতা কাদের খানসহ দুই থেকে তিন শ সন্ত্রাসী তাঁদের ওপর হামলা করে। হামলায় তাবিথ আউয়াল মাথায় আঘাত পান। পরে তাঁকে ইউনাইটেড হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়।

বনানী থানার ওসিসহ ২০ থেকে ৩০ পুলিশ সদস্যের ইশারায় আওয়ামী লীগের নেতারা ওই হামলা করেছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন তাবিথ আউয়াল।