সরকার খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের বিষয়ে যথেষ্ট আন্তরিক: তথ্যমন্ত্রী
সরকার খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের বিষয়ে যথেষ্ট আন্তরিক বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, বিএনপি বরং খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে রাজনীতি করছে।
মন্ত্রী আজ শনিবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় শেখ রাসেল এভিয়ারি পার্কে নতুনভাবে চালুকৃত কেব্ল কার (রোপওয়ে) উদ্বোধন শেষে এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘খালেদা জিয়া যতবারই হাসপাতালে গেছেন, ততবারই বিএনপি বলেছে বিদেশ না পাঠালে খালেদা জিয়ার জীবন সংকটাপন্ন এবং তাঁকে বাচাঁনো কঠিন হবে। কিন্তু প্রতিবারই আল্লাহর রহমতে তিনি হাসপাতালে বাংলাদেশের চিকিৎসকদের চিকিৎসা ও সেবায় সুস্থ হয় বাড়ি ফেরত গেছেন। এখনো খালেদা জিয়া যাতে সর্বোচ্চ চিকিৎসা পান, সরকার সে জন্য যা কিছু করা দরকার, সেটি করছে।’
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ৫২ দিন ধরে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অল্প দিনের ব্যবধানে গতকাল বিকেলে তৃতীয়বারের মতো করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নেওয়া হয়েছিল। শ্বাসকষ্টের সমস্যার কারণে প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা তাঁকে সিসিইউতে রাখা হয়েছিল।
খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর অনুমতি চেয়ে ২৫ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম ইসকান্দার। সেই আবেদন এখন আইন মন্ত্রণালয়ে মতামতের অপেক্ষায়।
এর আগে বক্তৃতায় হাছান মাহমুদ বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের পরিবেশ-প্রকৃতি রক্ষার জন্য যেভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, সে কারণে দেশের পরিবেশ আগের চেয়ে অনেক ভালো। দেশে বন আচ্ছাদিত ভূমির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সাথে দেশে বৃক্ষ আচ্ছাদিত ভূমির পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে।’
রাঙ্গুনিয়ার সন্তান তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘শেখ রাসেল এভিয়ারি পার্কে বিদেশের অনেক জাতের পাখি আছে, আমাদের দেশে অনেক সাফারি পার্ক আছে কিন্তু এ রকম এভিয়ারি আমাদের দেশে আর কোথাও নেই। এটিই দেশের প্রথম এভিয়ারি পার্ক। আমি মনে করি, শেখ রাসেল এভিয়ারি পার্কে কেব্ল কার পূর্ণ উদ্যমে যখন চালু হবে, তখন দেশ এবং বিদেশের পর্যটকদের জন্য জনপ্রিয় গন্তব্যস্থলে পরিণত হবে।’
চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের আয়োজনে চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক বিপুল কৃষ্ণ দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বন বিভাগের ‘সুফল’ প্রকল্পের পরিচালক ও উপপ্রধান বন সংরক্ষক গোবিন্দ রায়; চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের ডিএফও আবদুল্লাহ আল মামুন; রাঙ্গুনিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান স্বজন কুমার তালুকদার; উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতাউল গনি ওসমানী; রাঙ্গুনিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. নাহিদ হাসান প্রমুখ।