সংরক্ষিত নারী আসনে গোপালগঞ্জ থেকে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়া সূবর্না সিকদারের হলফনামায় বার্ষিক আয়ের উৎস দেখানো হয়েছে শেয়ার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র, শিক্ষকতা পেশা ও ঠাকুরবাড়ির ভক্তদের প্রণামি।
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, স্নাতক ডিগ্রিধারী সূবর্না সিকদারের পেশা শিক্ষকতা। আর এই পেশা থেকে তাঁর বার্ষিক আয় ৫ লাখ ৩ হাজার ৪৬০ টাকা। শেয়ার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানত থেকে বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ৫৭ হাজার ৬০০ টাকা। এ ছাড়া কাশিয়ানী উপজেলার ওড়াকান্দি ঠাকুরবাড়ির ভক্তদের প্রণামি থেকে প্রাপ্ত আয় দেখিয়েছেন ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সূবর্না সিকদারের অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নগদ অর্থ আছে ১২ লাখ ৫৩ হাজার ৫০৭ টাকা। পাঁচটি ব্যাংক হিসাবে আছে ৩০ লাখ ৫২ হাজার ১ টাকা। বিনিয়োগ বাবদ দেখানো হয়েছে ৫ লাখ টাকা। সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু ও পাথরে তৈরি গয়না রয়েছে ৩৫ ভরি। সব মিলিয়ে অস্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মোট মূল্য দেখানো হয়েছে ৪৮ লাখ ৫ হাজার ৫০৮ টাকা। যার বর্তমান আনুমানিক মূল্য ৫৯ লাখ ৪২ হাজার ৫০৯ টাকা।
সূবর্নার স্থাবর সম্পদের মধ্যে ৫২ শতাংশ এবং ২ কাঠা জমি রয়েছে। এসব জমির মোট অর্জনকালীন মূল্য দেখানো হয়েছে ৭ লাখ ৮৬ হাজার টাকা। যার বর্তমান মূল্য আনুমানিক ১৮ লাখ ৫২ হাজার ৬০৫ টাকা।
সর্বশেষ ২০২৫–২৬ সালের আয়কর রিটার্নে তাঁর বার্ষিক আয় ৭ লাখ ৬৩ হাজার ৫২৫ টাকা দেখানো হয়েছে। একই সঙ্গে মোট সম্পদের পরিমাণ উল্লেখ করা হয়েছে ৩৯ লাখ ১৫ হাজার ৯৯২ টাকা।
৫২ বছর বয়সী সূবর্না সিকদারের স্বামী পদ্মনাভ ঠাকুরের পেশা বলা হয়েছে ধর্ম প্রচার। তাঁর নামে পৈতৃকসূত্রে বসতবাড়িসহ ছয় বিঘা জমি (এজমালি) এবং দোতলা আবাসিক ভবনের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।