যেকোনো মূল্যে রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ধর্মের নামে কিছু জঙ্গি, ধর্মান্ধ, বিএনপিসহ কিছু রাজনৈতিক দল সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়াচ্ছে, সামাজিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে চাইছে। একই সঙ্গে ‘নির্বাচনে যাবে না’ বলে আন্দোলন–সংগ্রামের নামে বিএনপি নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে। কাজেই এ বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, জনগণের নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায়। কাজেই সরকারের মৌলিক দায়িত্ব রাজনৈতিক–সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। সরকার যেকোনো মূল্যে এটি করবে। বিএনপি নাশকতা করতে চাইলে কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে।

কারিতাস বাংলাদেশের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, ‘দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে জাতি-ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সবার জন্য বেসরকারি কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কারিতাস বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে আসছে। কারিতাস বাংলাদেশ আগামী দিনে তাদের সেবাধর্মী কর্মকাণ্ডের আরও বিস্তৃতি ঘটাতে সক্ষম হবে, এ প্রত্যাশা করি।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান খসরু বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছি। আমাদের এ অঞ্চলের কৃষি প্রকৃতিনির্ভর। অকালবন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়সহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ফসল উৎপাদন বিঘ্নিত হয়। এসব কাটিয়ে উঠে আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পেরেছি প্রধানমন্ত্রীর কৃষিবান্ধব নীতির কারণে।’

‘ভালোবাসা ও সেবায় ৫০ বছরের পথচলা’ এই মূল সুরে আয়োজিত কারিতাস বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে আর্চবিশপ বিজয় এন ডিক্রুজ, কার্ডিনাল প্যাট্রিক ডি রোজারিও, কারিতাসের প্রেসিডেন্ট জেমস রমেন বৈরাগী, নির্বাহী পরিচালক সেবাস্তিয়ান রোজারিও, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ রাশেদা কে চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য দেন।