সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বিবৃতিতে আরও বলেন, দেশের মানুষ বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের সরাসরি নির্দেশে পরিচালিত বিভীষিকাময় অগ্নিসন্ত্রাসের কথা ভুলে যায়নি। ২০১৩ সালে শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকার্য চলমান অবস্থায় ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচন প্রতিরোধ করতে এবং ২০১৫ সালে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াঘোষিত তথাকথিত অবরোধ কর্মসূচির নামে বিএনপি-জামায়াতের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা সারা দেশে পেট্রলবোমা ও অগ্নিসন্ত্রাসের মাধ্যমে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালান।

এসব জ্বালাও-পোড়াওয়ের ঘটনায় দেড় শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বিএনপি-জামায়াতের নজিরবিহীন এই সন্ত্রাসের সংবাদ প্রকাশিত ও প্রচারিত হয়েছে।

ওবায়দুল কাদের দাবি করেন, খালেদা জিয়াসহ শীর্ষ নেতারা টেলিফোনে নির্বিচারে মানুষ হত্যার নির্দেশনা দিচ্ছেন, এমন টেলিফোন আলাপও গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছিল। সারা দেশের বিবেকবান মানুষ যখন বিএনপি-জামায়াত অগ্নিসন্ত্রাসের নারকীয় ঘটনার বিচার দাবি করছে, তখন বিএনপির নেতারা নির্লজ্জভাবে অতীত অপকর্মের দায়ভার অস্বীকার করার হাস্যকর প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন।

বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচন ছাড়া সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের কোনো সুযোগ বাংলাদেশে আর নেই। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়েই ক্ষমতায় আসতে হবে।