জি এম কাদের বলেন, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে মতবিনিময়ে শতকরা ৮০ ভাগ রাজনৈতিক দল ইভিএমের বিপক্ষে মত দিয়েছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন বারবার সভা ডেকে ইনিয়েবিনিয়ে ইভিএমের গুণ বর্ণনা করছে। নির্বাচন কমিশনের বোঝা উচিত, দেশের মানুষ কোনো কারচুপির নির্বাচন গ্রহণ করবে না। তিনি বলেন, এখনো দেশের সব ভোটার প্রার্থীদের নাম পড়ে ভোট দিতে পারে না, প্রতীক দেখে নির্বাচনে ভোট দেয়। এমন বাস্তবতায় ইভিএমে নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা দুরভিসন্ধি বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ।

জাপার চেয়ারম্যান বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বললেই কিছু রাজনৈতিক নেতা মনে করেন, তাঁকে গালি দেওয়া হয়েছে। আসলে আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি পরিবর্তন করতে হবে। দেশের মানুষ আর যেনতেন নির্বাচন চায় না। দেশের মানুষ চায় সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের পছন্দের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে।’

জি এম কাদের বলেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ রাষ্ট্রক্ষমতা হস্তান্তর করার পর দেশে অপরাজনীতি শুরু হয়েছে। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উৎসবের নির্বাচনকে সহিংস করে তুলেছে। যে দল জাতীয় নির্বাচনে পরাজিত হবে, তাদের নিশ্চিহ্ন হওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। এটা কোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতি হতে পারে না। এমন বাস্তবতা থেকে দেশ ও দেশের রাজনীতি নিরাপদ করতেই জাতীয় পার্টির সংগ্রাম।

মতবিনিময় সভায় জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক, কো–চেয়ারম্যান এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, কাজী ফিরোজ রশীদ, সৈয়দ আবু হোসেন, প্রেসিডিয়াম সদস্য হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, গোলাম কিবরিয়া, ফকরুল ইমাম, হাবিবুর রহমান, সুনীল শুভ রায়, মীর আবদুস সবুরসহ দলের সংসদ সদস্যরা বক্তব্য দেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন