বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আব্দুর রাজ্জাক

default-image

আজ থেকে ৭২ বছর আগে তিয়েন আনমেন স্কয়ারে মাও সে-তুং গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের ঘোষণা করেছিলেন। কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বে চীন বিস্ময়কর উন্নয়ন করেছে। তারা ক্ষুধা-দারিদ্র্যকে জয় করেছে। এ বছর আমরা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার ৫০ বছর উদ্‌যাপন করছি। স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশেরও অনেক উন্নতি হয়েছে। এক দশকের বেশি সময় ধরে জিডিপি ৬ শতাংশের ওপরে। এর মধ্যে ২০১৮-১৯ সালে প্রবৃদ্ধি ছিল ৮ শতাংশের ওপরে। করোনা অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করলেও এখনো স্থিতিশীলই আছে। গ্লোবাল ইকোনমিক রিভিউয়ে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতসহ অনেক দেশে প্রবৃদ্ধি নেগেটিভ। সেখানে আমাদের প্রবৃদ্ধি ৩ শতাংশের ওপরে। আমরা ১৩ বছরের মতো দেশ পরিচালনা করছি। এ সময় আমাদের অর্থনীতির প্রায় সব খাতে উন্নতি হয়েছে। বিশেষ করে অবকাঠামো ও সামাজিক খাতে ব্যাপক উন্নতি ঘটেছে। ২০০৮ সালে নির্বাচনী মেনিফেস্টোতে আওয়ামী লীগ ২০২১ সালের ভিশন ঘোষণা করেছিল। আমরা এমডিজি অর্জন, দারিদ্র্য হ্রাসসহ খাদ্যে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি। এখন আমরা এসডিজি অর্জনে কাজ করছি।

চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। একাদশ শতাব্দীতে অতীশ দীপঙ্কর চীনে গিয়েছিলেন। ১৯৫২ সালে বঙ্গবন্ধু চীন সফর করেছেন। দুই দেশ এ সম্পর্কের ভিত্তিতেই এগিয়ে যাচ্ছে। চীন করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশকে টিকা সরবরাহ করেছে। বাংলাদেশের প্রতি তাদের সহযোগিতার এটি একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। পশ্চিমা বিশ্ব কোনো সহযোগিতার আগে চিন্তা করে তাদের কী লাভ হবে। চীন ও বাংলাদেশের সহযোগিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। দুই দেশের আরও সম্পর্ক উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। পরস্পরের প্রতি সম্মান রেখেই দুই দেশ এগিয়ে যেতে চায়। বাংলাদেশ ও চীন শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতায় বিশ্বাসী।

লি জিমিং

default-image

গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের ৭২তম জাতীয় দিবসে বাংলাদেশ-চায়না সিল্ক রোড ফোরামের পক্ষ থেকে আজকের এই আয়োজনের জন্য সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ। চীনের জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশের মাননীয় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী চীনের প্রেসিডেন্ট ও প্রিমিয়ার জনাব লি খছিয়াংকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এটা দুই দেশের ভালো বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নির্দেশ করে। চীনের কমিউনিস্ট পার্টির শতবর্ষের সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দেশটি ২০২১ সালের এই নবজীবনে এসেছে। আবার একই বছর বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার ৫০ বছর উদ্‌যাপন করছে। বিশ্বের কাছে এর একটা বিশেষ গুরুত্ব আছে।

চীন কোভিড-১৯-এর বিস্তার রোধ করতে পেরেছে। ২০২১ সালের প্রথম ৬ মাসে চীনের জিডিপি ১২ দশমিক ৭ শতাংশ। মোট আমদানি-রপ্তানি ২ দশমিক ৭৯ ট্রিলিয়ন ইউএস ডলার। আমরা একটা ঐতিহাসিক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছি। বিদেশে মোট বিনিয়োগ ৭১ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ইউএস ডলার। চীন এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি এবং বিশ্বের বৃহত্তম ব্যবসায়িক অংশীদার।

ঐতিহাসিক অর্জনের মধ্য দিয়ে চীন আজ উন্নয়নের নতুন দিগন্তে পৌঁছেছে। চীন এখন ১৪তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে উন্নয়নের নতুন দর্শনের উদাহরণ সৃষ্টি করবে। চীন বিশ্বের আলোচিত ইস্যু রোহিঙ্গা, আফগানিস্তান, ফিলিস্তিন, ইরানের নিউক্লিয়ারসহ বিভিন্ন বিষয়ে সুষ্ঠু সমাধানে কাজ করছে। চীন বিশ্বের সংহতিকে গুরুত্ব দেয়। চীনের বিশ্বাস, পারস্পরিক বিশ্বাস ও সমতার ভিত্তিতে আলোচনা করে বৈষম্য ও সমস্যা নিরসন করা সম্ভব। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক উন্নয়ন তাদের ও বিশ্বশান্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং বাংলাদেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে চান। চীনও সব সময় উন্নয়নের সহযোগী হিসেবে বাংলাদেশের পাশে থাকতে চায়। এ বছর আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের আরও উন্নয়ন হয়েছে। চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ, স্বাধীনতার ৫০ বছরসহ নানা বিষয়ে ভিডিও বার্তায় কথা বলেছেন। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চীনের প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কথা হয়েছে।

মহামারির এই সমস্যার মধ্যেও আমরা একে অপরকে সহযোগিতা করছি। চায়না-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার হস্তান্তর একটি উদাহরণ। এ ছাড়া পদ্মা সেতু, কর্ণফুলী টানেল ও কক্সবাজার এয়ারপোর্টের রানওয়ে সম্প্রসারণে চীন সহযোগিতা দিচ্ছে। ৯৭ শতাংশ বাংলাদেশি পণ্যের ওপর জিরো ট্যারিফ কার্যকর হয়েছে। বাংলাদেশ ও চীন তাদের স্বপ্নপূরণ, এশিয়ার শান্তি ও উন্নয়ন এবং মানবতার কল্যাণে হাতে হাত ধরে চলবে।

দিলীপ বড়ুয়া

default-image

১৯৪৯ সালের ১ অক্টোবর নয়া চীনের জন্ম। তখন চীনের নেতা মাও সে-তুং নতুন দেশ ও নতুন সভ্যতা গড়ে তোলেন। গণপ্রজাতন্ত্রী চীন এখন বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক শক্তি ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ। চীন তার দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করেছে। আধুনিক ইতিহাসের বাঁক বদলে দিয়েছে। নয়া চীনের জন্মের পর থেকে দেশটির জনগণ অনেক বেশি স্বাধীনতা ভোগ করছে। চীনের আইনি ব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে। চীনের সামাজিক গণতন্ত্র তার নিজের দেশের নীতির ভিত্তিতে তৈরি হয়েছে। এই সামাজিক গণতন্ত্র তাদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও এসডিজি অর্জনে ভূমিকা রাখছে। করোনা মহামারির সময় বিশ্ব চীনের নেতৃত্ব দেখেছে। করোনা চলে গেলে অর্থনৈতিক বিকাশে চীন নেতৃস্থানীয় ভূমিকা রাখবে। কোয়াড ও অকাসের মতো চীনবিরোধী উদ্যোগ কারও জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে না। বাংলাদেশে সব সময় চীনের সহযোগিতা পেয়ে আসছে, বিশেষ করে বাংলাদেশের টিকাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে চীনের রাষ্ট্রদূত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তাঁর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।

রাশেদ খান মেনন

default-image

চীনের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংসহ দেশটির জনগণকে অভিনন্দন জানাই। চীন পৃথিবীতে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ানো একটি দেশ। তারা শুধু নিজেরাই ঘুরে দাঁড়ায়নি, অন্যকেও ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করেছে। আজ যখন এই আলোচনা করছি, তখন সারা পৃথিবী কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত। করোনাভাইরাসের জন্য চীনকে দোষারোপ করা হয়েছিল। কিন্তু চীন শুধু তার নিজের দেশের ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে আনেনি, বিশ্বকে করোনামুক্ত করার চেষ্টা করছে। গত পাঁচ বছরে চীন আমাদের ২৫ বিলিয়ন ডলার সাহায্য দিয়েছে। সেখানে গত ৫০ বছরে পশ্চিমা বিশ্ব আমাদের এই সহযোগিতা দেয়নি। উপরন্তু নানাবিধ শর্তের জালে আবদ্ধ করেছে। চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ প্রক্রিয়া পৃথিবীর উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে; যদিও এটা নিয়ে বিতর্ক আছে। চীন কথা দিয়েছিল, ২০২০ সালের মধ্যে তারা দারিদ্র্যমুক্ত হবে। সে কথা তারা রেখেছে। পরিবেশ রক্ষায় চীন জাতিসংঘে ঘোষণা করেছে, তারা পৃথিবীর কোনো দেশে কয়লাভিত্তিক প্রকল্পে সাহায্য করবে না। চীনের বিরুদ্ধে কোয়াডের বিস্তৃতি এ অঞ্চলের সবার জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। দক্ষিণ এশিয়ার শান্তি বিনষ্টের আরেকটি কারণ হতে পারে তালেবানের উত্থান। রোহিঙ্গা সমস্যা এ অঞ্চলের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে। এ বিষয়ে চীনের আরও কার্যকর উদ্যোগ চাই। সবশেষে চীনের প্রেসিডেন্ট, রাষ্ট্রদূত ও জনগণকে আবারও অভিনন্দন জানাই।

হাসানুল হক ইনু

default-image

চীনের নেতৃত্ব সব সময় আত্মমর্যাদা ও আত্মবিশ্বাসী সমাজতান্ত্রিক দর্শনে বিশ্বাসী। চীন তার ৭২ বছরের দীর্ঘ যাত্রায় সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে বিজয়ী হয়েছে। চীনের কমিউনিস্ট পার্টি প্রতিটি দেশের নিজস্ব রাজনৈতিক ও উন্নয়নের দর্শনে বিশ্বাসী। আমরা বাংলাদেশ এর প্রশংসা ও সমর্থন করি।

৭২ বছর আগে মাও সে-তুং নতুন চীন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এর পর থেকে চীনের সরকার ও জনগণ তাদের অর্থনৈতিক ও জীবনমানের উন্নয়নে বিস্ময়কর রূপান্তর ঘটিয়েছে। একদিকে তাদের উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, অন্যদিকে টেকসই সামাজিক উন্নয়ন। চীন এমন একটি দেশ, যারা ৭২ বছর ধরে কৃষিনির্ভর দেশ থেকে আজ পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়েছে। ৭২ বছর আগে চীনের মাথাপিছু আয় ছিল মাত্র ২৭ ডলার। আর আজ তাদের মাথাপিছু আয় ১০ হাজার ডলার। ‘মেড ইন চায়না’ নামে সারা পৃথিবীতে এখন চীনের পণ্য পরিচিত। চীন পশ্চিমা বিশ্ব ও আমেরিকার আধিপত্যবাদ ও শক্তির রাজনীতির বিরুদ্ধে। আমরা চীনের নেতৃত্ব, জনগণ ও বিশেষ করে সি চিন পিংয়ের প্রশংসা করি। চীন-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব দীর্ঘজীবী হোক।

মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম

default-image

চীন বিশ্বসভ্যতাকে চমক দেওয়ার মতো উন্নয়ন করেছে। ১৯৪৯ সালে বিপ্লবের মধ্য দিয়ে চীনের অগ্রযাত্রার শুরু। এর মধ্য দিয়ে চীনে স্থায়ী ও স্থিতিশীল ভিত্তি রচিত হয়েছে। দীর্ঘ এই যাত্রায় ত্রুটিবিচ্যুতি যে হয়নি তা নয়, কিন্তু চীন কখনো মৌলিক নীতি-আদর্শ থেকে সরে যায়নি। অনেক সময় অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির জন্য কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। অনেকে এটাকে ভুল ব্যাখ্যা করেছে যে চীন হয়তো পুঁজিবাদের দিকে যাচ্ছে। চীনের নেতৃত্ব ওই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে। চীনের অভূতপূর্ব উন্নয়ন সবাইকে অভিভূত করেছে। দশকের পর দশক ধরে তাদের প্রবৃদ্ধি দুই অঙ্কে। নিম্ন আয়ের মানুষকে ওরা আস্তে আস্তে ওপরে এনেছে। চীন পুঁজিবাদের নয়া উদারবাদী দর্শনের ভিত্তিতে নুইয়ে পড়া অর্থনীতিকে গ্রহণ করেনি; বরং পরিকল্পিত কার্যক্রমের মাধ্যমে একই সঙ্গে উন্নয়ন ও বণ্টনব্যবস্থার মাধ্যমে সমতা নিয়ে এসেছে। অনেকে চীনের উদাহরণ দিয়ে উন্নয়নের জন্য দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকতে চায়। কিন্তু এর জন্য প্রয়োজন সুশাসন, ন্যায়বিচার ও সমবণ্টন। চীনের নেতা সি চিন পিং ও তাদের জনগণের প্রতি অভিনন্দন জানাই।

আব্দুল কাইয়ুম

default-image

আমরা সবাই জানি যে চীন অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে। চীনের মানুষ ও তার অর্থনীতি, জীবন-জীবিকা, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি তরুণদের পরিশ্রম—সবকিছু মিলে তাদের এই সাফল্য। প্রথম চীন সফরের ১৫ বছর পর আবার সফর করি। এ সময় তাদের বিস্ময়কর সাফল্য দেখি। এটা সম্ভব হয়েছে তাদের দূরদর্শী ও যোগ্য নেতৃত্বের জন্য। চীন উন্নয়নের শীর্ষে অবস্থান করছে। তারা মানুষের কল্যাণে নিবেদিত। চীনের যেসব সাফল্য মানুষের জীবনে কল্যাণ এনেছে, সেগুলো সামনে আনা প্রয়োজন। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে যেন অবিশ্বাস-অনিশ্চয়তা সৃষ্টি না হয়, সেদিকে সবার লক্ষ রাখা ‍উচিত।

মইনুল ইসলাম

default-image

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও তাঁদের জনগণকে ধন্যবাদ জানাই। আমি মাও সে-তুংয়ের একজন ভক্ত। চীনের আজ যে ঈর্ষণীয় সাফল্য, সেটা শুরু হয়েছিল মাও সে-তুংয়ের সময়। চীনের সমাজতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য নিয়ে অনেকে সমালোচন করে। কৃষিতে বিস্ময়কর সাফল্য অর্জন করেছে। তারপর তারা শিল্পপণ্য উৎপাদনে সবাইকে ছাড়িয়ে গেছে। ১৯৯২ সালে চীনে ১ কোটি ২০ লাখ উদ্যোক্তা ছিল। জিডিপির এক-তৃতীয়াংশ তাদের অবদান। এখন তাদের অবদান ৫০ শতাংশ। বিশ্বে চীনের ক্রয়ক্ষমতা সবাইকে ছাড়িয়ে গেছে। চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং তাদের জনগণের উন্নয়নের কথা ঘোষণা করেছেন। এখন চীনের মাথাপিছু আয় ১০ হাজার ডলার। চীন শুধু তাদের নিজেদের জন্য সমগ্র মানবকল্যাণে কাজ করে।

মুন্সি ফয়েজ উদ্দিন

default-image

চীনের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে চীনের কল্যাণ কামনা করি। চীনের সমাজতান্ত্রিক শাসন গণতান্ত্রিক শাসনের চেয়ে বেশি সমর্থন পেয়েছে। চীনে তৃণমূলে নির্বাচনের মাধ্যমে নেতা নির্বাচিত হন। ধাপে ধাপে তাঁরাই বড় নেতা হন। এটা হয়তো ওয়েস্টমিনস্টারের মতো গণতন্ত্র নয়। তবে এটা চীনের গণতন্ত্র। চীন সব সময় শান্তি ও সম্প্রীতির জন্য কাজ করে। চীন বিশ্বাস করে, সবার স্বার্থ বজায় থাকবে, যদি আঞ্চলিক শান্তি বজায় থাকে।

মো. কামাল উদ্দিন

default-image

৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে চীনের প্রেসিডেন্ট ও জনগণকে অভিনন্দন জানাই। ৭২ বছর ধরে চীনের অর্থনীতি বিশ্বশক্তিতে পরিণত হয়েছে। চীন এখন বিশ্বের শিল্প হাবে পরিণত হয়েছে। চীনের কমিউনিস্ট পার্টির দূরদর্শী নেতৃত্বে, বিশেষ করে মাও সে-তুং ও সি চিন পিংয়ের যোগ্য নেতৃত্বে এটা সম্ভব হয়েছে। চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভও বিশ্বের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করি। সবাইকে ধন্যবাদ।

আবদুল মঈন খান

default-image

চীনের ১০ হাজার বছরের সভ্যতা এত সংক্ষিপ্ত সময়ে বলা সম্ভব নয়। তবে চীন কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বে এক বিস্ময়কর সাফল্য অর্জন করেছে। দেশটি উদ্‌যাপন করছে ৭২তম জাতীয় দিবস। ১৯৪৯ সালে স্বাধীনতার পর চীনের প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র্য, কৃষি, খাদ্য উৎপাদন, শিল্প, প্রযুক্তি—সব ক্ষেত্রে অভাবনীয় উন্নতি হয়েছে। এর প্রধান কারণ, ৭২ বছর ধরে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি নিজস্ব পদ্ধতিতে রাষ্ট্র পরিচালনা করেছে। আজ তাদের উন্নতি পশ্চিমা বিশ্ব ও যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। চীনের অর্থনৈতিক সাফল্য অভূতপূর্ব। তাদের সাফল্যের একটা উদাহরণ হলো ২০১৬ সালে যে এয়ারক্র্যাফটে রাশিয়ার ইঞ্জিন ছিল, ২০২১ সালে সেই এয়ারক্র্যাফটে নিজেদের তৈরি ইঞ্জিন। এ-ই হচ্ছে গত ৭২ বছরের চীন। পৃথিবীর কারও ওপর নির্ভরশীল থাকতে চায় না দেশটি। তারা শুধু নিজে এগিয়ে যাবে তা নয়, চীন সারা বিশ্বের মানুষের এগিয়ে যাওয়াকে গুরুত্ব দেয়। বাংলাদেশের মতো চীনও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাস করে।

এবিএম খোরশেদ আলম

default-image

চীনের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট নিয়ে একটি ফলপ্রসূ আলোচনা হলো। গত ৭২ বছরে চীনের উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও অগ্রযাত্রার বিষয়গুলো আলোচনায় এসেছে। কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়, চীন সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব প্রত্যাশা করে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও বেশি সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করি। আলোচনায় অংশগ্রহণের জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।

গোলটেবিল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন