রানতাড়ায় ৪৫ বা কম রানের মধ্যে ৬ উইকেট হারানোর পরও জয়—এমন ম্যাচে এর আগে সর্বোচ্চ জুটিটি ছিল ৫৫ রানের। সেটিও ১৯৭৫ সালের। বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৯৩ রান তাড়ায় ৩৯ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর অস্ট্রেলিয়া জিতেছিল গ্যারি গিলমোর ও ডগ ওয়াল্টার্সের ৫৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে। মিরাজ-আফিফের জুটি আজ ছাড়িয়ে গেল সেটিকেও।

default-image

এর আগে কখনোই রান তাড়ায় এতো কম রানে ৬ উইকেট হারানোর পর ম্যাচ জেতেনি বাংলাদেশ। আফগানিস্তানের বিপক্ষে আজ বাংলাদেশ ষষ্ঠ উইকেট হারায় মাত্র ৪৫ রানে। এর আগে সবচেয়ে কম রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের জেতার রেকর্ডটি ছিল ২০০৬ সালের। কেনিয়ার বিপক্ষে নাইরোবিতে ১৮৪ রান তাড়ায় ১১২ রানে ৬ উইকেট হারানোর পরও বাংলাদেশ জিতেছিল নবম উইকেটে মাশরাফি বিন মুর্তজা ও আব্দুর রাজ্জাকের ৫০ বলে ৫১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে। মাশরাফি অপরাজিত ছিলেন ৫৩ বলে ৪৩ রানে, রাজ্জাক ২৩ বলে করেছিলেন অপরাজিত ১৪ রান।

সে ম্যাচে ৮৫ রানে ৫ উইকেট হারিয়েছিল বাংলাদেশ, আজ হারিয়েছে ২৮ রানেই। এটিও নতুন রেকর্ড।

১২৭

রান তাড়া করে জেতা ম্যাচে এর আগে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সপ্তম উইকেটের জুটি ছিল ৪৯ রানের। ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে২৪৯ রানের লক্ষ্যে ১৮৩ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারানোর পর মাহমুদউল্লাহ ও নাঈম ইসলামের ওই জুটিতে কাজটা সহজ হয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশের, শেষ পর্যন্ত সে ম্যাচটি তারা জিতেছিল ৩ উইকেটে। রানতাড়ায় যে কোনো ম্যাচে সপ্তম উইকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জুটি ছিল ৮৫ রানের। ২০০২ সালে চট্টগ্রামে সে জুটি গড়েছিলেন এনামুল হক ও খালেদ মাসুদ। ২০৩ রানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ অবশ্য সেবার থেমেছিল ১৫৩ রানেই।

default-image

সপ্তম উইকেটে যে কোনো ইনিংসে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জুটি (ছিল) ইমরুল কায়েস ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের—১২৭ রানের। ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আগে ব্যাটিং করে ১৩৯ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর সে জুটি গড়েছিলেন ইমরুল-সাইফউদ্দিন, বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত ২৭১ রান তুলে জিতেছিল ২৮ রানে।

৯৩*, ৮১*

সাত বা এর নিচে নেমে এর আগে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ব্যাক্তিগত ইনিংসটি ছিল মাহমুদউল্লাহর। ২০১৩ সালে বুলাওয়েতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিনি ৭৩ বলে করেছিলেন অপরাজিত ৭৫ রান। আজ আফিফ ছাড়িয়ে গেলেন সেটিকে। মাহমুদউল্লাহর সে রেকর্ড ছাড়িয়ে দুইয়ে আছেন এখন মিরাজ, অপরাজিত ৮১ রানের ইনিংসে।

খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন