প্রথম প্রশ্নে লিটনের উত্তর, ‘আমার মনে হয়, মাঠে যদি পরিকল্পনাগুলো কাজে লাগানো যেত, তাহলে এ প্রশ্নগুলো আসত না। আর সম্পূর্ণ মাঠ চালায় অধিনায়ক। অধিনায়ক যে সিদ্ধান্ত দেবে, আমাদের প্রত্যেক খেলোয়াড়েরই তা পালন করা উচিত।’

default-image

কথা ভুল নয়। তবে অধিনায়কের সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তিটা তো জানা থাকা চাই দলের অন্যদেরও। দুই প্রশ্নেই লিটন শুধু বলতে পারলেন, অধিনায়কের সিদ্ধান্তই ঠিক। কেন ঠিক, সে ব্যাখ্যা নেই।

ডানহাতি–বাঁহাতি প্রসঙ্গে যেমন লিটনের কথা, ‘অনেক সময় ডানহাতি ব্যাটসম্যানকে যদি ডানহাতি বোলারও বল করে, সমস্যা হয় না। তবে সিদ্ধান্তটা সম্পূর্ণ অধিনায়কের।’ সঙ্গে এবারও বলেছেন, ‘মাঠ তো আমি চালাব না বা আর দশটা খেলোয়াড় চালাবে না। আমাদের উচিত ওনার (অধিনাকের) যে সিদ্ধান্ত, সে অনুযায়ী কাজ করা।’ লিটন আবারও অধিনায়কের ঢাল হতে চেয়েছেন ওভাবেই, ‘সিদ্ধান্তটাতে ভালো কিছু হলে হয়তো প্রশ্নটা আসত না।’

বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়া প্রথম টি–টোয়েন্টিসহ সিরিজের তিন ম্যাচেই ভালো হয়নি বাংলাদেশের ব্যাটিং। লিটনও বলেছেন, ব্যর্থতার পেছনে এটাই বড় কারণ, ‘আমরা খুব একটা ভালো ব্যাটিং করিনি। প্রথম ম্যাচে করিনি, দ্বিতীয় ম্যাচেও মনে হয় না সাকিব ভাই ছাড়া আমরা কেউ খুব ভালো ব্যাটিং করেছি। উইকেট ব্যাটিং–সহায়ক ছিল। আমরা ওপরের দিকের ব্যাটসম্যানরা যদি দায়িত্বটা আরও ভালোভাবে পালন করতে পারতাম, তাহলে হয়তো পরের দিকের ব্যাটসম্যানরা আরও খুলে খেলতে পারত।’

তবে শেষ ম্যাচে যে বাংলাদেশ ১৬৩ রান করল, সেটাকে খুব খারাপ রান মনে হচ্ছে না লিটনের। প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামের এই উইকেটে ১৮০ রানও হতে পারত। কিন্তু লিটন বললেন, বাংলাদেশ নাকি ১৮০ রান করার দলই নয়, ‘টি–টোয়েন্টিতে আমরা ১৬০–১৬৫ বা খুব বেশি হলে ১৭০ রানই করব। আমরা ও রকম দল না যে ১৮০–১৯০ রান করব।’

১৬৩ রান করেও ভালো কিছু হতে পারত যদি বোলাররা পরিকল্পনা কাজে লাগাতে পারতেন। শেষ টি–টোয়েন্টিতে ওখানেই বড় সমস্যা দেখেন লিটন, ‘বোলারদের পরিকল্পনা কাজে লাগানোতে সমস্যা ছিল। সেটা যদি আজ (গতকাল) ভালো হতো, তাহলে হয়তো ফলাফল আমাদের পক্ষে আসত। সব বোলার হয়তো পরিকল্পনা কাজে লাগাতে পারেনি।’

খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন