ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সাকিবের ওয়ানডে রেকর্ড যে ঈর্ষনীয়! ১৯ ইনিংসে সাকিব ৫৫.৬০ গড়ে ৮৩৪ রান করেছেন, ১টি সেঞ্চুরি ও ৮টি ফিফটির সৌজন্যে। বোলিংয়ে ২১ ইনিংসে ২৪ উইকেট, ইকোনমি মাত্র ৩.৭৬ - বোলার হিসেবেও ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে সাকিব অনন্য। ২০২১ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সর্বশেষ সিরিজেও সাকিব ছিলেন ম্যান অব দ্য সিরিজ।

এই রেকর্ডগুলো হয়তো পুরানের মস্তিস্কেও খেলা করছিল। সে কারনেই তিনি বলছিলেন, ‘হ্যাঁ, ওরা সাকিবকে পাচ্ছে না। এতে আমরাও খুশি।’ তবে সাকিবের না থাকা নিয়ে খুব একটা ভাবতে চান না পুরান, ‘কিন্তু সাকিব না থাকায় অন্য কেউ হয়তো সেই সুযোগটা নেবে, ভালো করবে। সাকিব আছে না নেই, এটা তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমাদের মাঠে নামতে হবে। ভালো করতে হবে। সেটা প্রতিপক্ষের দলে যেই থাকুক না কেন। আমাদের মনোযোগ থাকবে কীভাবে ম্যাচটা জেতা যায়।’

খেলাটা যেহেতু ওয়ানডে, সাকিব না থাকলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের চ্যালেঞ্জটা তাই একটু বেশি। টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারলেও ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রেকর্ড প্রতিপক্ষকে দুশ্চিন্তায় ফেলবে। কদিন আগেই দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজে বাংলাদেশের সর্বশেষ সফরেও ওয়ানডে সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ।

default-image

কাল থেকে শুরু হতে যাওয়া ওয়ানডে সিরিজের তিনটি ম্যাচই হবে গায়ানায়। প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামের উইকেট বরাবরই স্পিন সহায়ক। বাংলাদেশ দলকে নিয়ে দুশ্চিন্তার সেটিও একটি কারণ মনে হলো। পুরান যেমন বলছিলেন, ‘ওয়ানডে সিরিজের দিয়ে তাকিয়ে আছি। কাজটা আমরা জানি সহজ হবে না। বিশেষ করে দুই দলেই যথেষ্ট স্পিনার থাকায় সবার জন্যই কাজটা চ্যালেঞ্জিং হবে।’

ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাম্প্রতিক ওয়ানডে পারফরম্যান্সও পুরানকে আশাবাদী করার মতো নয়। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে জিতলেও পাকিস্তান সফরে গিয়ে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ হেরে এসেছে পুরানের দল। ঘরের মাঠে অবশ্য ভালো করার আশা ক্যারিবীয়দের।

পুরান যেমন বলছিলেন, ‘আমরা ধিরে ধিরে ওয়ানডেতে আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠছি। নেদারল্যান্ডস ও পাকিস্তানে ওয়ানডে খেলে এসেছি। দল হিসেবে আমরা দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছি। এই সিরিজেও সেই চেষ্টাই থাকবে। ওয়ানডে দল হিসেবে বাংলাদেশের সুনাম আছে। আমরা জানি যে এই সংস্করণে আমাদের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে।’

খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন