বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এরপর হক-আই দেখায়, অশ্বিনের বলটা যেত স্টাম্পের ওপর দিয়ে। ফলে বেঁচে যান এলগার। বড় পর্দায় রিপ্লে দেখানোর সময়ই হাত থেকে ক্যাপ খুলে নিয়ে হতাশা প্রকাশ করতে দেখা যায় কোহলিকে। ওভারের বিরতিতে এরপর স্টাম্পের দিকে যান কোহলি, মুখ কাছে এনে সম্প্রচারকদের উদ্দেশে বলেন, ‘তোমাদের দল যখন বল উজ্জ্বল করছে, সেদিকে নজর দাও। শুধু প্রতিপক্ষের দিকে তাকালে চলবে না। লোকদের ধরার ধান্দা সব সময়ই!

default-image

কোহলির এ কথা ২০১৭ সালে কেপটাউন টেস্টেই বল-টেম্পারিং কেলেঙ্কারির দিকে। অস্ট্রেলিয়ার ক্যামেরন ব্যানক্রফটকে সিরিশ কাগজ দিয়ে বল ঘষার ফুটেজ ‘ধরেছিল’ সুপারস্পোর্টই। এরপর সে কাণ্ডে ভিন্ন ভিন্ন মেয়াদে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন ব্যানক্রফটসহ তখনকার অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ ও সহ-অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার।

কোহলির কথাতেই অবশ্য ভারতীয়দের প্রতিক্রিয়া থামেনি। সহ-অধিনায়ক রাহুলকে বলতে শোনা গেছে এমন, ‘১১ জনের বিপক্ষে খেলছে পুরো দেশ’। অশ্বিন তো সরাসরিই বলেছেন, ‘জেতার জন্য অন্য কোনো উপায় বের করো, সুপারস্পোর্ট।’

কেপটাউনের এ উইকেটে বাউন্সের তারতম্য থাকলেও খোলা চোখে ‘প্লাম্ব’ মনে হওয়ার কথা এলগারকে। হক-আইয়ের বল-ট্র্যাকিং দেখানোর পর আম্পায়ার এরাসমাসকেও বলতে শোনা গেছে, ‘অসম্ভব’।

কিগান পিটারসেনের সঙ্গে তখন জুটি গড়ছিলেন এলগার। অবশ্য সে দফা বেঁচে গেলেও শেষ পর্যন্ত খুব বেশি দূর এগোতে পারেননি দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক। সে ঘটনার পর আর ৮ রান যোগ করে যশপ্রীত বুমরার বলে কট-বিহাইন্ড হয়েছেন এলগার, ভেঙেছে পিটারসেনের সঙ্গে ৭৮ রানের জুটি। ভারত সে উইকেটও পেয়েছে রিভিউ নিয়ে, এবার অবশ্য আম্পায়ার ছিলেন আদ্রিয়ান হোল্ডস্টোক।

default-image

দিন শেষে এ ব্যাপারে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকা পেসার লুঙ্গি এনগিডি ও ভারতের বোলিং কোচ পরশ মহমব্রে। এনগিডির মতে, ‘এ রকম প্রতিক্রিয়ায় হতাশা ফুটে ওঠে, দলও সেটা কাজে লাগায়। আপনি কখনোই এতটা আবেগ দেখাতে চাইবেন না, তবে তাদের আবেগ যে অনেক উঁচুতে ছিল সেটা দেখতে পেয়েছি আমরা। এর থেকেই বুঝেছি, তারা চাপে ছিল।’

আর মহমব্রে বলেছেন, ‘আমরা দেখেছি, আপনারাও দেখেছেন (কী হয়েছে)। আমি এটা ম্যাচ রেফারির ওপরই ছেড়ে দিচ্ছি। এখন এটা নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। সবাই দেখেছি, এখন শুধু খেলার দিকেই মনোযোগ দিতে চাই।’

খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন