টটেনহাম তারকা সন হিউং মিন এ মাসের শুরুতে চ্যাম্পিয়নস লিগে মার্শেইয়ের বিপক্ষে ম্যাচে বাঁ চোখে আঘাত পেয়েছিলেন। এ জন্য অস্ত্রোপচার করাতে হয় তাঁকে। প্রথম ম্যাচের আগে সুস্থ হয়ে উঠতে পারবেন কি না, এ নিয়ে সংশয়ে ছিলেন কোরিয়ান সমর্থকেরা। তবে কোচে বেন্তোর কথাতে সে শঙ্কা আপাতত দূর হয়েছে।

চোট থেকে ফিরে মুখে মাস্ক পরে অনুশীলন করতে হয়েছে সনের। ম্যাচেও ঠিক এভাবেই মাস্ক পড়েই নামতে হবে ৩০ বছর বয়সী এ তারকার। মাস্ক পরে খেলতে হওয়ায় সনের জন্য অস্বস্তিকর হবে কি না, এমন একটা প্রশ্নও উঠেছিল। সে প্রশ্নে দক্ষিণ কোরিয়ার এ কোচ অবশ্য জানিয়েছেন মাস্ক পরায় কোনো সমস্যা হবে না সনের।

তিনি বলেছেন, ‘সে মাস্ক পরেই খেলবে, এটা তাঁর জন্য অস্বস্তির কারণ হবে না। আমরা যে পরিকল্পনা করে এসেছিলাম, এখানে এসেও সেই পরিকল্পনাতেই আছি। সন দলের সঙ্গে খুব স্বাভাবিকভাবেই আছে। কালকে কী হয় দেখা যাক। আশা করছি, মাঠে তার কোনো অস্বস্তি হবে না। কিন্তু এমন এক চোটের পর আমরা খুব বেশি ঝুঁকিও নেব না।’ বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ৬ ম্যাচ খেলে ৩ গোল করেছেন সন। সব মিলিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার হয়ে করেছেন ৩৫ গোল, করিয়েছেন ১৭টি।

উরুগুয়ে ছাড়া দক্ষিণ কোরিয়ার বাকি দুই প্রতিপক্ষ ঘানা ও পর্তুগাল। আগের দুই বিশ্বকাপে প্রথম পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য তাই প্রথম ম্যাচটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।