বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মূলত এ সফরে ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফের পরিবারের সদস্যদের কোয়ারেন্টিন ও সফর চলার সময় বিধিনিষেধের মাত্রা ঘিরেই জটিলতা তৈরি হয়। অস্ট্রেলিয়ায় শুধু কেন্দ্রীয়ভাবে নয়, রাজ্যভিত্তিকও বিভিন্ন বিধিনিষেধ আছে করোনাভাইরাসের কারণে। তবে প্রায় ১১ সপ্তাহের লম্বা সফরের পুরোটা সময় পরিবার ছাড়া থাকতে রাজি নন ইংল্যান্ড ক্রিকেটাররা। উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান জস বাটলার সরাসরিই জানিয়ে দিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে এ সফরে যাবেন না তিনি।

default-image

এমনিতেও ইংল্যান্ড এ সফরে পাবে না বেন স্টোকস, জফরা আর্চার ও মঈন আলীকে। মানসিক স্বাস্থ্যের কারণে ক্রিকেট থেকে অনির্দিষ্টকালের বিরতি নিয়েছেন স্টোকস, চোটের কারণে এ বছর খেলা হবে না আর্চারের। আর সম্প্রতি টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন মঈন।

গতকাল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী নিক হকলি কোয়ারেন্টিন ও জৈব সুরক্ষাবলয়ের ব্যাপারে আবারও বিশদ জানিয়েছেন ইংল্যান্ড খেলোয়াড়দের। বড়দিনের আগে ইংল্যান্ড খেলোয়াড়দের পরিবারের যেসব সদস্য অস্ট্রেলিয়া যাবেন, তাঁদের জন্য ব্যবস্থা কেমন হবে—জানানো হয়েছে সেটাও। সিডনি মর্নিং হেরাল্ড জানিয়েছে, ডিসেম্বরে বক্সিং ডে টেস্টের আগে ভিক্টোরিয়ার ইয়ারা ভ্যালি নামের এক রিসোর্টে ইংল্যান্ড খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফের পরিবারের সদস্যদের কোয়ারেন্টিনের ব্যবস্থা করা হবে। ফলে হোটেলে ১৪ দিনের কঠোর কোয়ারেন্টিনের ভেতর থাকতে হবে না তাঁদের।

default-image

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষেই অ্যাশেজ খেলতে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার কথা ইংল্যান্ডের। নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে অস্ট্রেলিয়া গেলে কোয়ারেন্টিনের নিয়মকানুন একটু শিথিল অবস্থাতেই পাবেন রুটরা। অস্ট্রেলিয়া সরকার সম্প্রতি জানিয়েছে, অনুমোদিত টিকা নেওয়া থাকলে সাত দিনের কোয়ারেন্টিন ও টেস্টে নেগেটিভ এলেই চলবে বিদেশি নাগরিকদের।

তবে অ্যাশেজের শেষ টেস্টের ভেন্যু পার্থ নিয়ে জটিলতা কাটেনি এখনো। সূচি অনুযায়ী, নিউ সাউথ ওয়েলসের সিডনিতে হতে যাওয়া টেস্টের পাঁচ দিন পরই ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার ভেন্যু পার্থে শুরু হওয়ার কথা পরের টেস্টটা। তবে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার রাজ্য সরকারের নিয়ম অনুযায়ী, নিউ সাউথ ওয়েলস থেকে আসা কারও জন্য সেখানে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন বাধ্যতামূলক। এ নিয়ম তখন পর্যন্ত থাকলে পার্থের বদলে টেস্টটা হতে পারে ক্যানবেরা বা হোবার্টে।

default-image

এদিকে অ্যাশেজে খেলতে অনাগ্রহ দেখানোয় ইংল্যান্ড ক্রিকেটারদের সমালোচনা করেছেন সাবেক অধিনায়ক ইয়ান বোথাম। টেলিগ্রাফকে তিনি বলেছেন, ‘এটা “চূড়ান্ত পরীক্ষা।” আমার ধারণা, কেউ কেউ এটাতে আগ্রহী নয়। এ নিয়ে চিন্তা তো করতেই হয়। ইংল্যান্ডের হয়ে টেস্ট ক্রিকেট খেলার ওপরে কিছু নেই, অস্ট্রেলিয়ায় খেলা ও জেতা তো দারুণ অভিজ্ঞতা। আমার মতে, এটা চ্যালেঞ্জ। তাদের জায়গায় থাকলে এরই মধ্যে ব্যাগ গুছিয়ে ফেলতাম আমি।’

সবকিছু ঠিক থাকলে ৮ ডিসেম্বরের ব্রিসবেনের গ্যাবায় শুরু হবে অ্যাশেজের প্রথম টেস্ট। সর্বশেষ ২০১৯ সালের সিরিজ ড্র করে ঐতিহাসিক ‘দ্য আর্ন’ বা ‘ভস্মাধার’ নিজেদের কাছেই রেখে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন