বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

এরপর ম্যাচের শেষভাগের ওই কাণ্ডগুলো তো ছিলই। কিন্তু ম্যাচ শেষে গেইল জানালেন, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি থেকে এখনই পুরোপুরি অবসরে যাচ্ছেন না তিনি। নিজেকে নাকি ‘সেমিরিটায়ার্ড’ বলেই ভাবছেন, ‘আমি পুরোপুরি অবসরে যাইনি। আমাকে আপনারা সেমিরিটায়ার্ড বলতে পারেন। প্যাভিলিয়নে ফেরার পথে আমি দর্শক ও ভক্তদের সঙ্গে একটু মজা করতে চেয়েছিলাম, তাই ওভাবে ব্যাট উঁচিয়ে ধরা।’


তবে এই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যে তাঁর শেষ, সেটাও স্বীকার করলেন, ‘হ্যাঁ, এটাই হতে যাচ্ছে আমার সর্বশেষ বিশ্বকাপ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের জার্সি গায়ে আরেকটা বিশ্বকাপ খেলতে পারলে খুবই আনন্দিত হতাম, কিন্তু আমি জানি তা সম্ভব নয়।’ ক্যারিয়ার নিয়ে সন্তুষ্ট কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে গেইল জানান, অসাধারণ একটা ক্যারিয়ার পার করেছেন তিনি এবং এ নিয়ে তিনি খুবই গর্বিত।

default-image

পুরোপুরি অবসরে যাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন গেইল। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জিজ্ঞাসা করা হলে জানান, দেশের মানুষের সামনে অবসরে যেতে চান তিনি, ‘আমি অবসরের ঘোষণা দিইনি, কারণ তারা (ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড) আমাকে জ্যামাইকাতে একটা ম্যাচ খেলার সুযোগ দিয়েছে, যেন আমি আমার দেশের মানুষের সামনে অবসরে যেতে পারি এবং বলতে পারি, “হেই, তোমাদের অনেক ধন্যবাদ!” দেখা যাক, আমি সেই সুযোগ পাই কি না। যদি না পাই, আমি ব্রাভোর মতোই অবসরের ঘোষণা দেব এবং প্রত্যেককে আমাদের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাব। কিন্তু এখনই আমি অবসরের ঘোষণা দিচ্ছি না।’

default-image

প্রায় দুই দশক ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছেন গেইল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে তিন সংস্করণ মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন তিনি। ১৯৯৯ সালে ওয়ানডে ক্রিকেট অভিষেক হওয়া এই তারকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ রানের মালিক। ব্রায়ান লারার পর দ্বিতীয় ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ব্যাটসম্যান হিসেবে ওয়ানডেতে ১০ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।

বিশ্বের একমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে তাঁর টেস্টে ট্রিপল সেঞ্চুরি, ওয়ানডেতে ডাবল সেঞ্চুরি এবং টি-টোয়েন্টিতে সেঞ্চুরি আছে।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন