বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়েরা অস্ট্রেলিয়ার কঠোর কোয়ারেন্টিন নিয়ম মানতে অস্বীকৃতি জানিয়ে অ্যাশেজে পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ না খেললে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটের বিরাট আর্থিক ক্ষতিই হয়ে যাবে। সিডনি মর্নিং হেরাল্ড জানিয়েছে অঙ্কটা ২০ কোটি ডলারই ছুঁয়ে যাবে (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ হাজার ৭১৩ কোটি টাকা)।

চ্যানেল সেভেন ও ফক্সের সঙ্গে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) যে সম্প্রচার চুক্তি রয়েছে তাতে সরাসরি ১০ কোটি ডলারের (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮৫৬ কোটি টাকা) ক্ষতি হবে, বাদবাকি ক্ষতির খাত স্পনসরশিপ, বিদেশে সম্প্রচারচুক্তি এবং টিকিট বিক্রির।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার মোট আয়ের প্রায় এক–চতুর্থাংশ পেয়ে থাকেন অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় দল, রাজ্য দল ও বিগ ব্যাশের নারী ও পুরুষ ক্রিকেটাররা। তৃণমূল পর্যায়ের ক্রিকেটে ঢালা হয় ১৫ কোটি ডলার ( বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ হাজার ২৮৫ কোটি টাকা)।

এদিকে আগামী ৮ ডিসেম্বর ব্রিসবেনের গ্যাবায় অ্যাশেজের প্রথম টেস্টে নামার কথা ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার। এই সিরিজ বাতিল হতে শুধু অস্ট্রেলিয়ার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটাররাই নন, দেশটির তৃণমূল পর্যায় থেকে ঘরোয়া ক্রিকেটাররাও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

এদিকে অ্যাশেজ খেলা না খেলা নিয়ে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটারদের মধ্যে ভালোই কথা চালাচালি হচ্ছে। ইংল্যান্ড অধিনায়ক জো রুট এর আগে বলেছিলেন, তিনি অ্যাশেজ খেলতে ‘উন্মুখ’ হয়ে থাকলেও যাবেন কি না, ঠিক নিশ্চিত নন।

অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক টিম পেইন এর জবাবে বলেছিলেন, রুট খেলতে আসুক বা না আসুক অ্যাশেজ সময়মতোই মাঠে গড়াবে। এদিকে বিভিন্ন সূত্র মারফত ‘হেরাল্ড’ এবং ‘দ্য এজ’ জানিয়েছে, অ্যাশেজ নিয়ে ইসিবি ও সিএর মধ্যে কূটনৈতিক কথাবার্তা চলছে এবং সবকিছু ঠিকঠাকমতোই সুরাহা হবে বলে ধারণা করছে দুটি সংবাদমাধ্যম।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন