default-image

এক বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরার পর ব্যাটে-বলে ভালোই কাটছে সাকিব আল হাসানের। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে ব্যাট-বলের পারফরম্যান্সে হলেন সিরিজসেরা। ১১৩ রান করার সঙ্গে বল হাতে নিয়েছিলেন ৬ উইকেট।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘টাইমস নাও’ জানিয়েছে, আইপিএলেও ফিরতে পারেন সাকিব। তিনটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দল সাকিবকে কেনার চেষ্টা করতে পারে বলে মনে করছে এ সংবাদমাধ্যম।

আইপিএলে সর্বশেষ সানরাইজার্স হায়দরাবাদে খেলেছিলেন সাকিব। জুয়াড়ির প্রস্তাব গোপন করে নিষিদ্ধ হওয়ায় ২০১৯ সালে তাঁকে ছেড়ে দেয় হায়দরাবাদ। এবার আইপিএলে তাঁকে ভালো দামে কেনার প্রতিযোগিতা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

আইপিএলে ৬৩ ম্যাচে ৫৯ উইকেট ও ৭৪৬ রান করেছেন বাংলাদেশের এই তারকা অলরাউন্ডার। ১৮ ফেব্রুয়ারি চেন্নাইয়ে আইপিএলের নিলাম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

বিজ্ঞাপন

সাকিবকে কেনার দৌড়ে উঠে এসেছে তিন ফ্র্যাঞ্চাইজির নাম। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু, কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব ও চেন্নাই সুপার কিংস। সংবাদমাধ্যমটি এর কারণও ব্যাখ্যা করেছে।

বিরাট কোহলির দল বেঙ্গালুরু অলরাউন্ডার হিসেবে মঈন আলীর বদলি হিসেবে সাকিবকে কিনতে পারে। ধারাবাহিকতার অভাব থাকায় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি তাঁকে ছেড়ে দিয়েছে। মিডল অর্ডার ও বোলিং শক্তিশালী করতে সাকিবের ওপর নজর পড়তে পারে বেঙ্গালুরুর।

নিউজিল্যান্ডের জিমি নিশাম ও অস্ট্রেলিয়ার গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে ছেড়ে দিয়েছে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, পাঞ্জাব একজন পরীক্ষিত ও অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার চায়।

গত মৌসুমে ভুগেছে চেন্নাইয়ের মিডলঅর্ডার। এ কারণে সাকিবকে কেনার চেষ্টা করতে পারে পাঞ্জাব। আফগান স্পিনার মুজিব-উর রেহমানকেও ছেড়েছে তারা।

এক অলরাউন্ডার দিয়ে দুই সমাধানে সাকিবকে বেছে নিতে পারে প্রীতি জিনতার এ ফ্র্যাঞ্চাইজি। বিদেশি ক্রিকেটারদের একটি মাত্র কোটা ফাঁকা আছে চেন্নাই সুপার কিংসে।

এদিকে পীযূষ চাওলা ও হরভজন সিংকে ছেড়েছে মহেন্দ্র সিং ধোনির দল। তিনে কিংবা চারে ব্যাট করতে পারেন এবং স্পিন বিভাগেও ভালো, এমন অলরাউন্ডার চায় চেন্নাই।

সংবাদমাধ্যমটির মতে, এ দুটি জায়গায় চেন্নাইয়ের আদর্শ সমাধান হতে পারেন সাকিব। এ বছরের এপ্রিলে কিংবা মে মাসে মাঠে গড়াতে পারে আইপিএলের নতুন মৌসুম।

বিজ্ঞাপন
ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন