বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আবুধাবিতে আজ ইংল্যান্ডের কাছে ৮ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ। শক্তির তারতম্যে এমন ফল–ই স্বাভাবিক। তবু কিন্তু থেকে যায়। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচে সে ‘কিন্তু’টা বোলিংয়ে হলে এ ম্যাচে অবশ্যই ব্যাটিংকে ঘিরে। আগে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ১২৪ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। তাড়া করতে নেমে ৩৫ বল হাতে রেখে জিতেছে ইংল্যান্ড।

সাদামাটা সংগ্রহ তাড়া করতে নেমে ইংল্যান্ডের শুরুটা ছিল বাংলাদেশের উল্টো। পাওয়ার প্লে–র ৬ ওভারে বাংলাদেশ তুলেছে ৩ উইকেটে ২৭। ইংল্যান্ড তুলেছে ১ উইকেটে ৫০। টি–টোয়েন্টিতে বড় দল ও বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে এটাই বুঝি পার্থক্য?

default-image

পঞ্চম ওভারে নাসুম আহমেদ জস বাটলারকে না ফেরালে ইংল্যান্ড হয়তো আরও দ্রুত রান তুলতে পারত। ১৮ বলে ১৮ রানে মোহাম্মদ নাঈমকে ক্যাচ দেন বাটলার।

বাকি কাজটা ভালোই সারছিলেন জেসন রয় ও ডেভিড ম্যালান। দুজন মিলে দ্বিতীয় উইকেটে ৪৮ বলে ৭৩ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন। ১৩তম ওভারে শরীফুল ইসলামকে উইকেট দেন রয়। এরপর জনি বেয়ারস্টোকে নিয়ে সুপার টুয়েলভে ইংল্যান্ডকে টানা দ্বিতীয় জয় এনে দেন ম্যালান।

মালান ও রয়ের ব্যাটিং দেখেও শিখতে পারে বাংলাদেশ—যেহেতু প্রায় প্রতিটি হারের পর সংবাদ সম্মেলনে ‘হার থেকে শিক্ষা নেওয়া’র কথা বলা হয়। সংক্ষিপ্ত সংস্করণে রয় বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক ব্যাটসম্যানদের একজন।

কিন্তু জোর করে কোনো শট খেলতে দেখা যায়নি তাঁকে। যে বলে যা প্রাপ্য কিংবা নিজের সামর্থ্যের ওপর আস্থা রেখে প্রতিটি বল থেকে যতটা সম্ভব রান বের করা—এই ধারায় ৩৮ বলে ৬১ রান করে আউট হন রয়। ৩ ছক্কা ও ৫টি চার মারেন এ ওপেনার।

default-image

টি–টোয়েন্টিতে ম্যালান ধ্বংসাত্মক হলেও আজ একটু রয়ে–সয়ে ব্যাট করেছেন। লক্ষ্যটা সহজ হওয়ায় কোনো তাড়াহুড়ো করেননি। ৩ চারে ২৫ বলে ২৮ রান করেন তিনি। রয় আউট হওয়ার পর জনি বেয়ারস্টোর সঙ্গে ৮ বলে ১৪ রানের জুটি গড়েন ম্যালান।

ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে ব্যাট করেছেন এ বাঁহাতি—যার ছিঁটেফোঁটাও দেখা যায়নি এ ম্যাচে আগের ইনিংসে। অর্থাৎ বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে। ২৬ রানে ১টি করে উইকেট নেন নাসুম ও শরীফুল।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন