বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জৈব সুরক্ষাবলয়ের কারণে আগের মতো ক্রিকেটারদের কাছাকাছি যাওয়া হয় না সাংবাদিকদের। আজ শামীমকে কাছে পেয়ে সে সুযোগটা লুফে নেন সংবাদকর্মীরা।

সবার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে এসে তরুণ শামীমও অনেকটা অবাক। সতীর্থদের সঙ্গে যে শামীমকে দেখা যায় দুষ্টুমিতে মত্ত থাকতে, সেই শামীমই যেন আজ একটু চাপে পড়ে গিয়েছিলেন।

default-image

যেহেতু তিনি একাই ছিলেন, তাই টিভি ও অন্যান্য মাধ্যমের সাংবাদিকেরা তাঁর কাছ থেকেই কিছু শুনতে চান। শামীমও ধৈর্য ধরে সবার আবদার মেটান। একটানা ছয়টি সাক্ষাৎকার দেওয়ার পর লাজুক হাসি দিয়ে বলছিলেন, ‘আমি সাধারণত ঠিকমতো কথা বলতে পারি না। আশা করি, আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে যাবে।’

দেশের হয়ে মাত্র ৭টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন শামীম। বাংলাদেশের জার্সিতে ৬ ইনিংসে ব্যাট করে যা দেখিয়েছেন, তাতেই তাঁকে নিয়ে প্রত্যাশার কমতি নেই।

শামীমও বিষয়টি আঁচ করতে পারছেন। প্রত্যাশার চাপ প্রসঙ্গে তিনি বলছিলেন, ‘হ্যাঁ, তা তো অবশ্যই। যেহেতু বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পেয়েছি, সবারই আশা থাকে দেশকে ভালো কিছু দেওয়ার জন্য।’

বিশ্বকাপের লক্ষ্য নিয়ে তিনি বলছিলেন, ‘এবার আমি প্রথমবার সুযোগ পেয়েছি, এখনো সেভাবে তেমন কিছু চিন্তা করিনি। আমি সঙ্গে যেতে পারছি, এটাই আমার কাছে বড় কিছু। জুনিয়র হিসেবে দলের সিনিয়র ক্রিকেটারদের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে।’

ছোট্ট ক্যারিয়ারে শামীমকে খুব বেশি পরীক্ষা দিতে হয়নি। জিম্বাবুয়েতে নিজের অভিষেক সিরিজে ভালো খেললেও অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সিরিজে তিনি নিয়মিত একাদশে জায়গা পাচ্ছিলেন না। মাত্র তিনটি সিরিজ খেলেই যাচ্ছেন বিশ্বকাপে। যেখানে শামীমকে খেলতে হবে বিশ্বের সেরা বোলারদের বিপক্ষে।

default-image

কঠিন এই চ্যালেঞ্জের অপেক্ষায়ই আছেন শামীম, ‘আসলে এটা অনেক বড় একটা মঞ্চ। এখানে বিশ্বকাপের অনেক ক্রিকেটার থাকবে। আমি মনে করি এটা আমার জন্য অনেক বড় একটা চ্যালেঞ্জ হবে।’

অবশ্য মানসিকভাবে শক্ত থাকার রসদ শামীম নিচ্ছেন অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের জয় থেকে, ‘যেহেতু একটা বিশ্বকাপ জিতে আসতে পেরেছি, এবার জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপ খেলব, আশাবাদী যে আমরা ভালো কিছু করব।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন