বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আগে ব্যাট করে ৩ উইকেটে ১৮৯ রান তোলে শ্রীলঙ্কা। তাড়া করতে নেমে ২ ওভারের মধ্যে ১০ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তৃতীয় উইকেটে নিকোলাস পুরান ও রোস্টন চেজ মিলে বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন।

২২ বলে ৩৭ রানের জুটি গড়েন দুজন। পাওয়ার প্লে–র শেষ ওভারে চামিকা করুনারত্নের বলে আউট হর চেজ (৯)। ওই ওভার (ষষ্ট) শেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ৫২। এখান থেকে জয়ের জন্য শেষ ১০ ওভারে ১১৮ রান দরকার ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের।

default-image

৪২ বলে ৯৬ রানের দূরত্বে থাকতে সবচেয়ে বড় ধাক্কা খায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৪তম ওভারের প্রথম বলে আন্দ্রে রাসেলকে (২) তুলে নেন করুনারত্নে। তখন ৪১ বলে ৯৬ রান দরকার ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের। ২৪ বলে ২৮ রানে অপরাজিত থাকা শিমরন হেটমায়ার এখান থেকে দলকে টেনে তুলতে পারেননি। ৫ বলে ৮ রান করে হোল্ডার আউট হওয়ার পর আরও বিপদে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

জয়ের জন্য শেষ ৫ ওভারে ৮০ রান দরকার ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের। ওভারপ্রতি ১৬ রান করে তোলার এ প্রায় অসম্ভব চ্যালেঞ্জ নিতে পারেননি জেসন হোল্ডার এবং হেটমায়ার। জয়ের জন্য শেষ ওভারে দরকার ছিল ৩৪ রান।

শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেটে ১৬৯ রানে থেমেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস। ৩৪ বলে ৪৬ রান করে আউট হন নিকোলাস পুরান। ৫৪ বলে ৮১ রানে অপরাজিত ছিলেন হেটমায়ার। ১৯ রানে ২ উইকেট নেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙা।

default-image

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ভালো শুরু পায় শ্রীলঙ্কা। ২১ বলে ২৯ করে ষষ্ট ওভারে আউট হওয়ার আগে ওপেনিং জুটিতে ৪২ রান তোলেন কুশল পেরেরা।

পাথুম নিশাঙ্কাকে নিয়ে দ্বিতীয় উইকেটে শ্রীলঙ্কার বড় সংগ্রহের ভিত গড়েন চারিত আসালাঙ্কা। ৬১ বলে ৯১ রানের জুটি গড়েন দুজন। ৪১ বলে ৫১ রান করেন নিশাঙ্কা। তাঁর সমান বল খেলে ৬৮ রান করেন আসালাঙ্কা। ৩৩ রানে ২ উইকেট নেন রাসেল।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন