বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শারজার এমন উইকেট, ছোট বাউন্ডারিতে ১৫৬ সে অর্থে বড় স্কোর নয়ও। রান তাড়ায় শুরুটাও অমনই করেছিলেন ফাফ ডু প্লেসি ও রুতুরাজ গায়কোয়াড়। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারেই দুজন তোলেন ৫৯ রান, এরপরও থামেননি তাঁরা। প্রথম উইকেট পেতে নবম ওভার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে বেঙ্গালুরুকে। সে উইকেটও মিলেছে কোহলির দারুণ এক ফিল্ডিংয়ে। চাহালের বলে থার্ডম্যানে ধরা পড়ার আগে গায়কোয়াড় করেছেন ২৬ বলে ৩৮ রান। পরের ওভারে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে আনলেন কোহলি। ম্যাক্সওয়েল সফল হলেন প্রথম বলেই! ডু প্লেসি তাঁর বলে ক্যাচ তুলেছেন ২৬ বলে ৩১ রান করে।

default-image

উইকেট হারালেও অবশ্য চেন্নাইয়ের রানের গতি কমতে দেননি মঈন আলী ও আম্বাতি রাইডু। তৃতীয় উইকেটে দুজন মিলে যোগ করেন ৩০ বলে ৪৭ রান। পরপর দুই ওভারে দুজনকে ফিরিয়েছেন হার্শাল প্যাটেল—প্রথমে ১৮ বলে ২৩ রান করা মঈনের পর ২২ বলে ৩২ রান করা রাইডু। তাতে অবশ্য বদলায়নি কিছুই। শেষ ৪ ওভারে চেন্নাইয়ের প্রয়োজন ছিল ২৩ রান। ধোনি ও রায়নার জুটি অবিচ্ছিন্ন থেকেই নিশ্চিত করেছে জয়।

এর আগে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা দারুণ করেছিলেন কোহলি ও পাড়িক্কাল। প্রথম ৬ ওভারেই ওঠে ৫৫ রান। অবশ্য পাওয়ার প্লের পর কোহলি ও পাড়িক্কাল ক্রিজে থাকলেও চেন্নাইয়ের স্পিনার ও পেসারদের গতির বৈচিত্র্যে কমে আসে বেঙ্গালুরুর রানের গতি। দুই ওপেনারই ফিফটি করে বেঙ্গালুরুকে ১১১ রানের বড় জুটি এনে দিয়েছেন ঠিকই, কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রত্যাশিত বড় রান পায়নি দলটি।

default-image

৪১ বল খেলে ৫৩ রান করে কোহলি ডোয়াইন ব্রাভোর বলে রবীন্দ্র জাদেজার হাতে ক্যাচ দেন ১৪তম ওভারে। ৫০ বল খেলে ৭০ রান করেছেন আরেক ওপেনার পাড়িক্কাল, শার্দুল ঠাকুরের বলে ক্যাচ দেওয়ার আগে। এর আগে ঠাকুরের বলেই ক্যাচ তুলেছেন এবি ডি ভিলিয়ার্স, ১১ বলে ১২ রান করে। বেঙ্গালুরুর হয়ে গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (১১) বা টিম ডেভিডও (১) চমক দেখাতে পারেননি। চেন্নাইয়ের হয়ে ২৪ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন ডোয়াইন ব্রাভো, ২৯ রানে ২টি নিয়েছেন শার্দুল ঠাকুর।

প্রথম ১০ ওভারে ৯০ রান তোলা বেঙ্গালুরু তাই থেমেছে আগেভাগেই। সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিজেদের টানা সপ্তম পরাজয়ও পরে আটকাতে পারেনি কোহলির দল।

৯ ম্যাচ করে খেলে চেন্নাই ও দিল্লির পয়েন্ট সমান (১৪) হলেও রান-রেটে এগিয়ে চেন্নাই। অন্যদিকে ৯ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে তিনে বেঙ্গালুরু।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন