বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিউজিল্যান্ডের ইনিংসে তখন ১৮তম ওভার। ক্রিস জর্ডানের করা আগের ওভারে ২৩ রান তুলে লড়াইটা বেশ জমিয়ে ফেলেছেন জিমি নিশাম। কিন্তু তখনো নিউজিল্যান্ডের জন্য বেশ খানিকটা পথ বাকি। ১৮ বলে দরকার ৩৪ রান। বেশ কঠিন লক্ষ্য। এমন পরিস্থিতিতে ব্যাটসম্যানরা সাধারণত রান নিতে মরিয়া থাকেন। আদিল রশিদের করা ১৮তম ওভারে নিশামেরও তেমন প্রস্তুতিই ছিল।

ওই ওভারের প্রথম বলটা একটু খাটো লেংথের হওয়ায় নিশাম শট খেলার চেষ্টা করেন। গড়বড় হয় টাইমিংয়ে। বলটা ঠেকানোর চেষ্টা করেন আদিল রশিদ। তা করতে গিয়ে অন্য প্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকা ড্যারিল মিচেলের গায়ের ওপর পড়েন ইংলিশ লেগ স্পিনার।

default-image

রান নেওয়ার চেষ্টায় ক্রিজ থেকে বেরিয়ে আদিল রশিদকে বল ঠেকাতে দেখে নিউজিল্যান্ড ওপেনার ফেরত যাচ্ছিলেন ক্রিজে। কিন্তু আদিল রশিদ বলটা ঠেকাতে পারেননি। বল বেরিয়ে যায় এবং তখন নিরাপদেই প্রান্ত বদল করতে পারতেন নিশাম ও মিচেল। কিন্তু মিচেল তা করেননি।

বল বেরিয়ে যাওয়ার সময় আদিল রশিদের সামনে ছিলেন মিচেল। তাঁকে ফিল্ডিংয়ে বাধা দিয়েছেন—এটা ভেবে মিচেল আর প্রান্ত বদল করেননি।

এদিকে ধারাভাষ্যকক্ষে ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক নাসের হুসেইন বলছিলেন, ‘এক রান তো নেবে। মানে কী! রান নেবে না? এটা খুবই ভালো। এটাই নিউজিল্যান্ড। আসলেই তা–ই। সহজেই এক রান নেওয়া যেত, কিন্তু অপর প্রান্তের ব্যাটসম্যান বলেছেন, “না, আমি আদিলের সামনে ছিলাম।” নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটকে বোঝাতে এটুকুই যথেষ্ট।’

নিউজিল্যান্ডের এরপর ১৭ বলে দরকার ছিল ৩৪ রান। অর্থাৎ প্রতি বলে ২ রান করে দরকার। সেমিফাইনালের মতো চাপের ম্যাচে এমন লক্ষ্য মোটেও সহজ না। এর পরও ওই ওভার থেকে ১৪ রান তুলে নেন নিশাম-মিচেল জুটি।

শেষ বলে নিশাম আউট হলেও এক ওভার হাতে রেখে ম্যাচ জেতান মিচেল। ১১ বলে ২৭ রানে আউট হওয়া নিশাম এবং ৪৭ বলে ৭২ রানে অপরাজিত থাকা মিচেল নিউজিল্যান্ডের জয়ের দুই নায়ক।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন