default-image

ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলটা নতুন। এতটাই নতুন যে দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্সও অনেককে ঠিকমতো চেনেন না! দলের ব্যাটিং অর্ডার কেমন হবে, সেটিও প্রায় অজানা প্রধান কোচের।

ক্যারিবীয়রা এখন তিন দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে আছেন। তিন দিন পর সীমিত পরিসরে অনুশীলন করতে পারবেন সফরকারীরা।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল বাংলাদেশে এসেছে ইংল্যান্ডের বিমানবন্দর হয়ে। নতুন করোনার কারণে সরকার ইংল্যান্ড হয়ে আসা যাত্রীদের ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন বাধ্যতামূলক করেছিল।

বিসিবি ক্যারিবীয়দের জন্য কোয়ারেন্টিন শিথিলের আবেদন করে। সরকারের পক্ষ থেকে সেই অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

সিমন্স চেয়ে আছেন দলের অনুশীলনের দিকে। কে কোথায় খেলবেন, সেটি ঠিক করার জন্য সিমন্সের ভরসা নেট সেশন। ক্রিকেটাররা কোচের এতই অজানা যে নেটে কে কেমন করেন, তা দেখেই নাকি দল সাজাবেন।

বিজ্ঞাপন

কাল অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান, ‘দশের মধ্যে নয়বারই অনুশীলনে কী দেখছি, সেটার ভিত্তিতে দল সাজানো হবে। অধিনায়ক আছে মিডল অর্ডার অথবা লেট মিডল অর্ডারে। আমরা তাঁর আশপাশেই দলের ভারসাম্য দাঁড় করাতে চাইব। নির্ভর করছে আমরা অনুশীলনে কেমন করছি। এখানকার কন্ডিশনে কে কেমন থাকে, সেটিও দেখা হবে।’

টেস্টের চেয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওয়ানডে দল কাগজে–কলমে বেশি দুর্বল মনে হয়। প্রায় সাতজন ক্রিকেটারের অভিষেক হওয়ার সম্ভাবনা আছে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে।

default-image

বাংলাদেশ যেখানে খেলবে সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ, মোস্তাফিজুর রহমানদের মতো অভিজ্ঞদের নিয়ে, সেখানে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বেশ নাজুকই মনে হওয়ার কথা।

কোচ সিমন্স অবশ্য দুটি গুণ দিয়ে বাংলাদেশের এ অভিজ্ঞতাকে পরাজিত করার স্বপ্ন দেখছেন, ‘অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে উৎসাহ এবং জয়ের ক্ষুধা অভিজ্ঞতাকে পরাস্ত করে।’

তবে বাস্তবতাও মানছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতানো এই কোচ। ঘরের মাঠে বাংলাদেশের রেকর্ড যেকোনো দলের জন্য ভীতিজাগানিয়া।

সেদিক থেকে বাংলাদেশকে সমীহ করারও যথেষ্ট যুক্তি আছে, ‘বাংলাদেশ স্পষ্ট ফেভারিট। কারণ, তারা ঘরের মাঠে ভালো খেলে। আমরা এ ব্যাপারে দ্বিমত করতে পারি না।’

সিরিজে সিমন্স দেখছেন তরুণদের পারফর্ম করার মঞ্চ হিসেবে। করোনার কারণে এমনিতেই যেকোনো দল সফর করছে ক্রিকেটারদের বিশাল বহর নিয়ে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ গত জুলাই মাসে যেমন ২৫ জন ক্রিকেটার নিয়ে ইংল্যান্ড সফর করে।

default-image

সেখান থেকে দুজন নতুন ক্রিকেটার বেরিয়ে আসেন অপ্রত্যাশিতভাবে। যাঁদের আবার বছরের শেষে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেকও হয়।

বাংলাদেশ সফরে করোনার ভয়ে অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা না থাকায় এই সিরিজটিও তরুণদের জন্য সুযোগ মনে করছেন সিমন্স, ‘এখানে যদি তিনটি ওয়ানডে ও দুটি টেস্টে ভালো করেন, তাহলে আপনি নিজেকে এমন জায়গায় নিয়ে গেলেন, যেখানে কেউ আপনাকে সরাতে পারবে না। এই সুযোগটা শুধু আপনারই।’

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন