বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

এ ছাড়া বাংলাদেশ দলের মিডল অর্ডার ব্যাটিং ও বোলিং নিয়ে অধিনায়ক যথেষ্ট সন্তুষ্ট। বিশেষ করে আফিফ হোসেন ও মেহেদী হাসান মিরাজের ব্যাটিংয়ে ফুরিয়েছে তামিমের অনেক দিনের অপেক্ষা। দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের ব্যর্থতার দিনে তরুণ ক্রিকেটাররা পারফর্ম করবে। তরুণদের হাত ধরেই বাংলাদেশ ম্যাচ জিতবে—ওয়ানডে দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তামিম এমন স্বপ্ন দেখছিলেন। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ১৫৫ রানের বিরাট জয়ে সে স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।

default-image

তামিম বলছিলেন, ‘একটা কথা সব সময় বলি, জুনিয়রদের পারফর্ম করতে হবে। এটা নিয়ে অনেক আলোচনা হয়। আমরাও বলেছি। কাল এ ক্ষেত্রে আদর্শ ম্যাচ ছিল। লিটন বেশ দায়িত্ব নিয়ে একটা ইনিংস খেলেছে। আর সব সময় ১০০ বা ৫০ নিয়ে কথা বলা খুব সহজ। কিন্তু আমার কাছে ছোট ছোট অবদান খুব গুরুত্বপূর্ণ। আফিফের ইনিংসটি ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সে ওই ইনিংসটা না খেললে ২৭০ রান করতে পারতাম না। ৩০-৪০ রান কম হতো। মিরাজের ২২-২৩ রানের ইনিংসও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। রিয়াদ ভাই আউট হওয়ার পর আরেকটি উইকেট পড়ে গেলে বিপদ হতো। আমার কাছে মনে হয় এই ছোট ছোট অবদানের কৃতিত্ব দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। যেটা আমি পছন্দ করি।’

default-image

বাংলাদেশ দলের খুশির এই সময়টায়ও কিছু দুশ্চিন্তা রয়ে গেছে। চোটের সঙ্গে লড়ে খেলছেন তামিম নিজেই। কাল পুরোনো কবজির চোটের জায়গায় আবার ব্যথা পেয়েছেন লিটন। ওয়ানডে সিরিজের প্রস্তুতি ম্যাচেই গোড়ালিতে ব্যথা পেয়েছে ছিটকে গেছেন মোস্তাফিজুর রহমান। দ্বিতীয় ওয়ানডের আগে সবার চোটের অবস্থার কথা জানাতে গিয়ে তামিম বললেন, ‘আমার ব্যাপারে তো কমবেশি বলা হয়ে গেছে। এই তিনটা ম্যাচই কমবেশি ঝুঁকি নিয়ে খেলতে হচ্ছে। কিন্তু আমি কোনোরকমে ম্যানেজ করছি। লিটনের অবস্থা আমি যতটা জানি এখন আগের চেয়ে অনেক ভালো। আগামীকালের ম্যাচে তাঁকে পাওয়ার আশা করছি। মোস্তাফিজেরটা এখনো ফিফটি-ফিফটি। আজ বিকেলের দিকে আরেকটু ভালো বলতে পারব। এ ছাড়া সবাই ফিট।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন