>
প্রথম ইনিংসের এ হতাশা দ্বিতীয় ইনিংসেও বদলায়নি। ছবি: প্রথম আলো
প্রথম ইনিংসের এ হতাশা দ্বিতীয় ইনিংসেও বদলায়নি। ছবি: প্রথম আলো
• হুট করে মোসাদ্দেকের জায়গায় মিরপুর টেস্টে খেলানো হয়েছে সাব্বিরকে।
• দুই ইনিংস মিলিয়ে সাব্বির করেছেন ১ রান, স্লিপে ফিল্ডিংও ভালো হয়নি।
• কেন সাব্বিরকে নেওয়া, ব্যাখ্যা দিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ।


শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সাব্বির রহমানের অবদান কী? দুই ইনিংস মিলে খেলার সুযোগই পেয়েছেন মাত্র ৫ বল। আর রান? ‘প্লিজ জিজ্ঞেস করবেন না’ বলে সাব্বির মুখ লুকাতে চাইবেন! স্লিপে দাঁড়িয়ে একের পর এক যে ক্যাচ ছাড়লেন, সেটা না হয় ঊহ্যই থাকল। 

ব্যাটিং-ফিল্ডিংয়ে সাব্বিরের বিবর্ণ পারফরম্যান্স বলে দিচ্ছে, আত্মবিশ্বাসটা তাঁর কতটা তলানিতে! চট্টগ্রাম টেস্টে মোসাদ্দেক হোসেন হয়তো দুর্দান্ত কিছু করতে পারেননি। কিন্তু তাঁর জায়গায় মিরপুর টেস্টে যাঁকে নেওয়া হলো, সেই সাব্বির কোথায় এগিয়ে ছিলেন, এ প্রশ্নে প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন অদ্ভুত এক যুক্তি দেখিয়েছিলেন, ‘টি-টোয়েন্টি সিরিজে ওকে নিয়ে আমাদের পরিকল্পনা আছে। ওর তো অনুশীলনও দরকার। তাকে যদি কোথাও না রাখি, তাহলে তো অনুশীলনের সুবিধাও পাবে না।’
সাব্বিরের টেস্ট দলে অন্তর্ভুক্তি নিয়ে আজ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ যে যুক্তি দেখিয়েছেন, সেটি মিনহাজুলের সঙ্গে না মিললেও কম ব্যতিক্রম নয়, ‘সাব্বিরকে নেওয়ার মূল কারণ ছিল স্পিন সে ভালো খেলে। সুইপ-রিভার্স সুইপ ভালো খেলে। এই উইকেটে আক্রমণাত্মক মেজাজে না খেললে সম্ভাবনা অনেক কমে যায়। এই ইনিংসে মুমিনুলের ইনিংসটা দেখেন ৪৭ বলে ৩৩ করেছে। ইতিবাচক লক্ষ্যে না খেললে খুব কঠিন।’
আক্রমণাত্মক খেলা পরে, আগে তো উইকেটে টিকতে হবে। এ ব্যর্থতায় সাব্বিরের মতো টিম ম্যানেজমেন্টের দায়ও কম নয়। তাদের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা, সঠিক সময়ে, সঠিক সিদ্ধান্ত না নিতে পারা!