বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভারতে গত এপ্রিলে শুরু হয়েও করোনার কারণে স্থগিত হয়ে যাওয়া আইপিএলের বাকি অংশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে শুরু হচ্ছে ১৯ সেপ্টেম্বর।

এমনিতে ওল্ড ট্রাফোর্ড টেস্ট স্বাভাবিকভাবে এগোলে এবং পাঁচ দিন পর্যন্ত গড়ালে টেস্টটা শেষ হতো ১৪ সেপ্টেম্বর, তার পরদিনই আইপিএলের জন্য রওনা হওয়ার কথা ছিল কোহলিদের। অন্যদিকে ওল্ড ট্রাফোর্ডে টেস্ট চলার সময় বা টেস্টের ঠিক শেষে কেউ করোনা পজিটিভ হলেও ইংল্যান্ডের নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে ইংল্যান্ডেই বাধ্যতামূলক দশ দিনের আইসোলেশনে থাকতে হতো। শেষ পর্যন্ত ওল্ড ট্রাফোর্ড টেস্ট না হওয়ায় এত হিসাবে যেতে হচ্ছে না কোহলিদের। আরব আমিরাতে ছয় দিনের কোয়ারেন্টিন শেষে টেস্টে নেগেটিভ আসা সাপেক্ষে শুরু থেকেই আইপিএলে খেলতে পারবেন তাঁরা। আইপিএলের কারণেই তাই কোহলিরা টেস্টটা খেলেননি, এমন ধারণা জন্মানো তাই হয়তো অস্বাভাবিকও নয়।

default-image

তবে সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক ও এখনকার অন্যতম শীর্ষস্থানীয় কমেন্টেটর নাসের হুসেইন বলছেন, শুধু কোহলিদের দোষ দিয়ে লাভ নেই। ডেইলি মেইলে লেখা এক কলামে নাসের লিখেছেন, ওল্ড ট্রাফোর্ড টেস্টের এই পরিণতির পেছনে আসলে দায়ী এখনকার ক্রিকেটের ঠাসা সূচি, ‘গত শুক্রবারের ব্যতিক্রমী ঘটনার পর আমার সবচেয়ে খারাপ লাগছে দর্শকের জন্য, যাঁদের আসলে আরও সম্মান প্রাপ্য। আর এ ঘটনায় খলনায়ক আসলে ভারত নয়, সেটা ক্রিকেটের ঠাসা সূচি।’

নাসের বলছেন, আপাতত বাস্তবতা এটাই, ‘এটা চরম একটা বিশৃঙ্খলা। তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে বিশ্ব ক্রিকেট এখন এমন একটা অবস্থাতেই দাঁড়িয়ে আছে। (আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের) ঠাসা সূচির সঙ্গে আইপিএলের কারণেই হচ্ছে এমন।’

default-image

তবে নাসের হুসেইনের পরের কথায় আবার এটাও স্পষ্ট, আইপিএল এখনকার ক্রিকেটের সূচিতে অনেক বড় প্রভাবকের ভূমিকা রাখে। আইপিএলের স্থগিত অংশের নতুন সূচি ঘোষণার পর থেকেই ভারত পঞ্চম টেস্টটা খেলতে চায়নি, নাসের মনে করিয়ে দিয়েছেন সেটাও, ‘আপনার মনে থাকবে যে তারা এই টেস্টটা সরাতে চেয়েছিল। আর্থিক কারণে আইপিএল নিয়ে সমঝোতা করবে না তারা। এটা (আইপিএল) বাদ দেওয়া যাবে না। স্বাভাবিকভাবেই শুদ্ধবাদীরা বলতে পারেন, টেস্টের ওপর ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক ক্রিকেটকে বেছে নেওয়ার এই অবস্থায় কীভাবে এলাম আমরা। তবে আমরা এই অবস্থায় এসে পড়েছি এবং সেটা বদলাচ্ছে না।’

এর আগে গত বছরের শেষ দিকে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর থেকেও প্রায় একইভাবে চলে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। তখনো ক্রিকেটারদের চাওয়ার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্তটা নেওয়া হয়েছিল। অবশ্য হুসেইন বলছেন, খেলোয়াড়দের আদতে দোষ দিয়ে লাভ নেই, ‘আমি খেলোয়াড়দের দোষ দিব না। গত গ্রীষ্মে আমারও একই অবস্থা হয়েছিল। যদি আমাকেও কেউ আরও কদিন বেশি জৈব সুরক্ষাবলয়ে থাকতে বলত, তাহলে আমিও ‘‘না’’ বলতাম।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন