তবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আফগানিস্তানের ঐতিহাসিক টেস্ট ঠিক সময়েই হবে বলে আশা করছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াও। তালেবানের এক নেতা ‘সবুজ সংকেত’ দেওয়ার পরপরই এ ম্যাচ নিয়ে আশার কথা শোনাল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)। শুরুতে গত বছরের ডিসেম্বরে হওয়ার কথা থাকলেও করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে স্থগিত করা হয়েছিল সেটা।

তালেবানের সংস্কৃতি কমিশনের সহকারী প্রধান আহমাদুল্লাহ ওয়াসিক অস্ট্রেলিয়ার এসবিএসকে জানিয়েছিলেন, অস্ট্রেলিয়া সফরের ক্ষেত্রে কোনো বাধা দেবেন না তাঁরা, ‘আফগানিস্তান দলকে অন্য আন্তর্জাতিক দলের সঙ্গে খেলার ক্ষেত্রে আমরা বাধা দেব না। ভবিষ্যতে আমরা সব দেশের সঙ্গেই ভালো সম্পর্ক রাখতে চাই। সে ভালো সম্পর্ক গড়ে উঠলে আফগান খেলোয়াড়েরা অস্ট্রেলিয়া যেতে পারেন, তাঁরাও এখানে আসতে পারেন।’

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার এক মুখপাত্রের কণ্ঠেও শোনা গেছে আশার সুর, ‘হোবার্টে অস্ট্রেলিয়া ও আফগানিস্তানের ঐতিহাসিক টেস্ট আয়োজনের পরিকল্পনা ভালোভাবেই এগোচ্ছে। দুই বোর্ডেরই এ ম্যাচ আয়োজনের ক্ষেত্রে সদিচ্ছা আছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরপরই আফগানিস্তানের সঙ্গে ম্যাচটা হবে।’

তালেবানের ক্ষমতা দখলের পরও ক্রিকেট কোনো ঝামেলায় পড়বে না, আগেও বলা হয়েছিল এমন। সম্প্রতি লেগস্পিনার রশীদ খানও বলেছেন অমন কথাই, ‘ক্রিকেটের ওপর তেমন কোনো প্রভাব পড়বে না। আমাদের দেশের সবাই ক্রিকেট ভালোবাসে। তারা খেলাধুলা ভালোবাসে। খেলোয়াড়দের সহায়তাও করে—এটা দেখতে ভালোই।’

তালেবানের কথা শুনেও আশাবাদী রশীদ, ‘গত কয়েক দিনে আমরা তাদের কিছু সাক্ষাৎকার দেখেছি। তারা খেলা নিয়ে কথা বলেছে। জানিয়েছে, “আমাদের কোনো সমস্যা নেই। আমরা আমাদের খেলোয়াড়দের ভালোবাসি, বিশ্বজুড়ে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে দেখতে চাই।” এসব দেখে ভালোই লাগছে। আপাতত আমাদের কোনো সমস্যা নেই।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন