বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

একসময় দক্ষিণ আফ্রিকা দলের কোচ ছিলেন বাংলাদেশের এ প্রোটিয়া হেড কোচ। আজ সংবাদ সম্মেলনে ডমিঙ্গো খোলাখুলিভাবেই বলেছেন তাঁর সাবেক দলের দুর্বলতার দিকগুলোর কথা, ‘এই মুহূর্তে ওরা ভালো খেলছে। দক্ষিণ আফ্রিকা দলের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, তাদের স্পিন খেলার দক্ষতা নিয়ে সব সময়ই প্রশ্ন ছিল। আশা করি আগামীকাল কন্ডিশন আমাদের পক্ষে থাকবে। ওদের দলের কিছু কিছু জায়গা আছে, যার সুযোগ নিতে চাই। এ ব্যাপারে আমরা আজ সকালে আলোচনা করেছি।’

default-image

এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের মূল পর্বে বাংলাদেশ দলের জয় মাত্র একটি, সেটিও ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। সেই রেকর্ডে উন্নতি আনার সুযোগটাও খুঁজছে বাংলাদেশ। আর নিজের শক্তি স্পিন কাজে লাগিয়েই সেটা করতে চান মাহমুদউল্লাহরা। দলের প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো সংবাদ সম্মেলনে সে কথাই জানিয়েছেন।

সুপার টুয়েলভে শ্রীলঙ্কা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে নিজেদের ভুলে জিততে পারেনি বাংলাদেশ দল। ম্যাচ দুটির ফলাফল ভিন্ন হলে হয়তো বাংলাদেশ দলও সেমিফাইনালের দৌড়ে ভালোভাবেই টিকে থাকত। কিন্তু জিততে হলে যে প্রক্রিয়া মেনে খেলতে হয়, সেদিকে নাকি ক্রিকেটাররা মনোযোগী ছিলেন না।

রাসেলের কথায়, ‘জয়ের নেশা ও হারের হতাশা সম্পর্কে আমাদের জানা আছে। জিততে হলে যে প্রক্রিয়া মানা উচিত, সেদিকে আমাদের মনোযোগ থাকে। দলের সবাই প্রতিটি ম্যাচ জেতার চেষ্টায় বেশি মনোযোগ দিতে গেলে দেখা যায় যে জয়ের জন্য যা করা দরকার, সেদিক থেকে চোখ সরে যায়। আমাদের আগামীকালের ম্যাচের আগে দক্ষতা ও প্রক্রিয়ায় মনোযোগ দেওয়া উচিত। আমরা যদি সেটা করতে পারি তাহলে ফল আমাদের পক্ষে যাবে। ’

default-image

বিশ্বকাপে নিজেদের পারফরম্যান্সে দর্শকদের মতো ক্রিকেটাররাও হতাশ হয়েছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এসব ভুলে শতভাগ দিয়ে খেলবে বাংলাদেশ দল, সেই আশাই দেখালেন ডমিঙ্গো। তিনি বলেছেন, ‘আমরা শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জেতার খুব কাছেই ছিলাম। কিন্তু দুটি বড় ভুল করায় জিততে পারিনি। ছেলেরা খুব হতাশ। ওদের দুটি দিন খুব বাজে কেটেছে। ওরাও জানে যে তাদের প্রতি দেশের মানুষের প্রত্যাশা অনেক। সংবাদমাধ্যমের আগ্রহ অনেক। না জিততে পেরে যে ওরা অনেক মানুষকে হতাশ করেছে, সেটা দলের সবাই জানে। কাল ওরা দেশের জন্য খেলবে এবং শতভাগ দেবে।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন