২০১৯ সালে ছেলেদের আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে দুর্নীতির অভিযোগে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল এ দুজনকে।

এরপর দুজন আত্মপক্ষ সমর্থনে নানা কথা বলেছেন, মূলত একজন দায়ী করেছেন অন্যকে। অবশ্য দুজনের এই কাণ্ডকে ‘যৌথ প্রযোজনা’ বলে উল্লেখ করেছে আইসিসি।
দুজনের বিপক্ষে যেসব ধারা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে, সেসবের মধ্যে আছে ম্যাচ পাতানোর জন্য ঘুষ বা অন্য প্রণোদনা নেওয়া; এসব নেওয়ার মাধ্যমে আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী আইন ভাঙা ও খেলার অসম্মান করা; ৭৫০ ডলারের বেশি মূল্যমানের উপহার প্রাপ্তির কথা জানাতে ব্যর্থ হওয়া; এসব নেওয়ার ব্যাপার দুর্নীতিবিরোধী ইউনিটের কাছে চেপে যাওয়া; দুর্নীতির প্রস্তাব গোপন করা এবং এ মামলায় প্রমাণিত হতে পারে এমন কিছু উপস্থাপনে ব্যর্থ হওয়া।

শাস্তি পাওয়া ৩৮ বছর বয়সী আমির ও ৩৬ বছর বয়সী আশফাক— দুজনের জন্মই পাকিস্তানে। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে ১৩টি আন্তর্জাতিক ম্যাচের শেষটি খেলেছিলেন আমির। আর সে বছরের অক্টোবরেও আমিরাতের হয়ে খেলেছেন মোট ৩৮টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ অভিজ্ঞ আশফাক।

গত দুই বছরে দুর্নীতির দায়ে আরব আমিরাতের পাঁচজন ক্রিকেটার বিভিন্ন মেয়াদের নিষেধাজ্ঞা পেলেন।

এর আগে ২০১৯ সালে ছেলেদের আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে দুর্নীতির অভিযোগে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল এ দুজনকে। এবারের শাস্তির মেয়াদও শুরু হবে ২০২০ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে।

এ দুজনের শাস্তি অন্যদের জন্য সতর্কবার্তা হবে বলে মনে করেন আইসিসির স্বচ্ছতা ইউনিটের মহাব্যবস্থাপক অ্যালেক্স মার্শাল। আমির ও আশফাক—দুজনই সর্বোচ্চ পর্যায়ের ক্রিকেট খেলেছেন বলে ম্যাচ পাতানোর সঙ্গে জড়ানোর পরিণতি বোঝা উচিত ছিল বলেও মনে করেন তিনি। ‘এ দুই আরব আমিরাত ক্রিকেটারই আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী বিভিন্ন শিক্ষামূলক সেশনে অংশ নিয়েছেন। তাঁরা জানেন কীভাবে এসব থেকে নিজেদের নিরাপদ রাখতে হয়। তাঁরা সেসব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন এবং নিজেদের বর্তমান দেশের সতীর্থদের মান রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন’, বলেছেন মার্শাল।

এ নিয়ে গত দুই বছরে দুর্নীতির দায়ে আরব আমিরাতের পাঁচজন ক্রিকেটার বিভিন্ন মেয়াদের নিষেধাজ্ঞা পেলেন। এর আগে মোহাম্মদ নাভিদকে পাঁচ বছর, শাইমান আনোয়ার ও কাদির আহমেদকে আট বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছিল আইসিসি।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন