বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সাদামাটা লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দিল্লিকে ভালো শুরু এনে দিতে পারেননি পৃথ্বী। ৮ বলে ১১ রান করে ধৈর্য হারিয়ে বাজে শট খেলে আউট হন। দিল্লি তখন ২.৫ ওভারে ১ উইকেটে ২০। এখান থেকে বিপদ হতে পারত।

দিল্লির বিপদ বাড়াতে পাওয়ার প্লে-র শেষ ওভারে আফগান স্পিনার রশিদ খানকে আক্রমণে আনেন সানরাইজার্স অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন।

default-image

রশিদকে দারুণভাবে খেলেন ধাওয়ান-শ্রেয়াস জুটি। বিশেষ করে ধাওয়ান, প্রথম ওভারেই তাঁকে ছক্কা মেরে লাইন-লেংথ এলোমেলো করেন। নিজের প্রথম ওভারে ১০ রান দেওয়া রশিদ তাঁর পরের ওভারেও ছক্বা হজম করেন। এবার শ্রেয়াসের ব্যাটে।

সে ওভারে ৯ রান নিয়ে উইলিয়ামসনের দ্রুত উইকেট নেওয়ার পরিকল্পনা ভেস্তে দেন ধাওয়ান-শ্রেয়াস জুটি।

উইলিয়ামসন তবু হাল ছাড়েননি। সানরাইজার্সের হয়ে ইনিংসের মাঝে উইকেট নেওয়ার মতো বোলার শুধু রশিদ-ই।

তাঁকে ১১তম ওভারে ফিরিয়ে এনে ফল পান এই কিউই। ওই ওভারে ছক্কা মারতে গিয়ে রশিদকে উইকেট দেন ধাওয়ান। দিল্লি ততক্ষণে ম্যাচের অর্ধেক পথ পেরিয়ে গেছে।

default-image

দিল্লি ৩৬ বলে ৩৯ রানের দূরত্বে থাকতে রশিদের শেষ ওভারটি করান উইলিয়ামসন। সেই ১৫তম ওভারটি দেখেশুনে খেলেন পন্ত-শ্রেয়াস জুটি। লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩০ বলে ৩৬। পরের দুই ওভার থেকে ২৭ রান তুলে নেন দুজন।

জেসন হোল্ডারের করা ১৮তম ওভার থেকে ১৩ রান তুলে জয় নিশ্চিত করেন পন্ত ও শ্রেয়াস। ২ ছক্কা ও ৩ চারে ইনিংসটি সাজান পন্ত। শ্রেয়াস ২ ছক্কা ও ২টি চার মারেন। সানরাইজার্সের হয়ে খলিল আহমেদ ৩৩ রানে ১ উইকেট নেন।

সানরাইজার্সের হয়ে কেউ ফিফটি দূরে থাক ৩০ রানও করতে পারেননি। ছয়ে নামা আবদুল সামাদের ব্যাট থেকে এসেছে সর্বোচ্চ ২১ বলে ২৮। ২৬ বলে ১৮ রান করে আউট হন উইলিয়ামসন। ১৯ বলে ২২ রান করেন রশিদ খান।

default-image

দিল্লির হয়ে দারুণ বল করেন দুই প্রোটিয়া পেসার আনরিখ নরকিয়ে ও কাগিসো রাবাদা। ৩৭ রানে ৩ উইকেট নেন রাবাদা।

১২ রানে ২ উইকেট নিয়ে তাঁকে এক অর্থে ছাপিয়ে যান নরকিয়ে। ২১ রানে ২ উইকেট নেন অক্ষর প্যাটেল। এই জয়ে ৯ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে উঠল দিল্লি। ৮ ম্যাচে ২ পয়েন্ট নিয়ে তলানিতে সানরাইজার্স।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন