বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সাক্ষাৎকারে সেই ঘটনাটি কারস্টেন বলতে গিয়ে বেশ আপ্লুতই, ‘একবার বেঙ্গালুরুর একটি বিমান প্রশিক্ষণ স্কুলে গোটা ভারতীয় ক্রিকেট দলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সেটি ছিল ২০১১ ওয়ানডে বিশ্বকাপের ঠিক আগে। কিন্তু বিদেশি নাগরিক হওয়ায় সেই স্কুলের অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রণ জানানো হয়নি আমাকে। কারণ, স্কুলটি ছিল একটি সেনানিবাস এলাকায়। এই দলে ছিলেন প্যাডি আপটন ও এরিক সিমন্সও। ধোনি এ ঘটনা জানতে পারে অনুষ্ঠানের দিন, এতে বেশ বিব্রত হয় সে। পরে সিদ্ধান্ত নেয়, যদি কোচরা অনুষ্ঠানে যেতে না পারে, তাহলে দলের কারোরই যাওয়ার দরকার নেই।’ প্যাডি ছিলেন ভারতীয় দলের কৌশলগত পরিকল্পনা ও মানসিক শক্তি বৃদ্ধির কোচ, আর সিমন্স দলের বোলিং পরামর্শক।

default-image

কারস্টেন বলেন, ‘আমি সে ঘটনা কোনো দিন ভুলতে পারব না। ধোনির সাফ কথা ছিল, বিদেশি কোচরাও দলের সদস্য। তাঁরা যেতে না পারলে আমরাও যাব না। একজন খেলোয়াড়ের মন কতটা সংবেদনশীল হলে সে এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারে। ওই সিদ্ধান্তটি নেওয়া ধোনির জন্য খুবই কঠিন একটা ব্যাপার ছিল।’

ভারতীয় ক্রিকেট দলের অন্যতম সেরা একটি অধ্যায় ছিল কারস্টেন-ধোনি জুটি। ২০০৭ সালে কোচ হিসেবে যোগ দেওয়ার পর ২০০৮ সালে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে টেস্টে ১ নম্বর দল হয় ভারত। ২০১১ ওয়ানডে বিশ্বকাপে বিজয়ী হয়ে ১৯৮৩ সালের পর প্রথম ও এখনো পর্যন্ত শেষবারের মতো ৫০ ওভারের ক্রিকেটে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয় তারা। বিশ্বকাপের পরপরই ভারতীয় দলের কোচের পদ ছেড়ে দেন কারস্টেন, পরে তিনি আইপিএলে কোচ হিসেবে কাজ করেছেন।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন