default-image

তবে সিডন্সকে অবাক করেছে বাংলাদেশ দলের পেস বোলিং বিভাগের গভীরতা। আজ জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বাংলাদেশে আসার পর তাঁর প্রথম আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে সিডন্স বলছিলেন, ‘চার-পাঁচজন ৬ ফুট লম্বা ফাস্ট বোলার আছে, যারা ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটারে বল করে। এটা খুব রোমাঞ্চকর ব্যাপার। দলে এখনো বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডার আছে যে প্রতি ম্যাচেই কিছু না কিছু করে অবদান রাখছে। মিরাজ, আফিফ ও লিটনকে দেখলাম ভালো করতে। ওদের যে দক্ষতা, আশা করি সময়ের সঙ্গে আরও উন্নতি করবে।’

default-image

পারফর্ম করতে থাকা তরুণদের সঙ্গে অভিজ্ঞদের এই মিশেলটা ভালো লেগেছে সিডন্সের। তিনি বলছিলেন, ‘এরা যত বেশি ম্যাচ খেলবে ততই বড় ম্যাচে পারফর্ম করার সুযোগ বাড়বে। ছেলেদের জন্য এই ম্যাচগুলো চাপের। ওদের ম্যাচগুলো জিততেই হতো। তরুণেরা এসব ম্যাচে ভালো করছে, এটা দেখে ভালো লাগছে। অভিজ্ঞরা ভালো করবেই। ওদের সঙ্গে তরুণদের ভালো করাটা অনেক বড় ব্যাপার।’

default-image

দলের অভিজ্ঞ ও তরুণ ক্রিকেটাররা ভালো করায় সিডন্সের কাজটা নাকি একটু সহজই হয়ে গেছে। তবু ব্যাটিং পরামর্শক হিসেবে প্রত্যেকের খেলায় কিছু না কিছু উন্নতি আনার সুযোগ দেখছেন সিডন্স। তিনি বলছিলেন, ‘আমার কাজ অর্ধেক হয়ে গেছে, কারণ দলে অনেক ভালো ক্রিকেটার আছে। তবে এখানে আফগানদের তিন স্পিনারকে খেলতে হচ্ছে। এটা মোটেও সহজ না। তবে দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বিপক্ষে খেলতে গেলে ফাস্ট বোলার থাকবে চারজন। আমাদের ওই কন্ডিশনে ভালো করার জন্য প্রস্তুত হতে হবে। আমরা ভালো দল। আমাদের ভালো করে যেতে হবে। ছেলেদের আরও এক ধাপ এগিয়ে যেতে হবে দেশের বাইরে ভালো করার জন্য।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন