বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আর একটি ম্যাচও আমরা জিতব না, দলের অবস্থা ভালো না। মানসিকভাবে ভয়ংকর অবস্থায় আছে। প্রথম দিন থেকেই দলের মোরাল খুব নিচে। আমি তো মনে করি, নামিবিয়া, স্কটল্যান্ডের মতো দলগুলোও বাংলাদেশের চেয়ে অনেক ভালো প্রস্তুতি নিয়ে খেলতে এসেছে। আমরা মিরপুরের মরা উইকেটে অস্ট্রেলিয়া আর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলে সিরিজ জিতেই খুব উল্লসিত হয়ে পড়েছিলাম। অলক্ষ্যে যে বিপদ অপেক্ষা করছিল, সেটি বুঝিনি। লো স্কোরিং ম্যাচে কোনোমতে জিতেছি; ব্যাটসম্যানরা যে কেউই রানে নেই, সেটি চোখ এড়িয়ে গেছে।

default-image

বিশ্বকাপটা আসলে শেষই হয়ে গেছে আমাদের। এখন আমাদের ভবিষ্যৎ করণীয় ঠিক করতে হবে। আগামী বছরই আরও একটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। হাতে এক বছর সময় আছে। এ সময় আমাদের করার আছে অনেক কিছু। নতুন করে দলের সবকিছু ঢেলে সাজাতে হবে। অন্য দলগুলোর সঙ্গে আমাদের পার্থক্যটা পরিষ্কার। আমরা টি-টোয়েন্টি কম খেলি। কেবল আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলে উন্নতি করা সম্ভব নয়। প্রসঙ্গত, আমি গত পরশুদিনের পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড ম্যাচের কথা বলব। দেখুন, কী কঠিন পরিস্থিতি থেকে পাকিস্তানের জন্য শোয়েব মালিক ম্যাচটা বের করে নিল। সে তার অভিজ্ঞতার পুরোটা ব্যবহার করেছে। টি-টোয়েন্টি খেলতে খেলতে সে ঋদ্ধ। কোন পরিস্থিতিতে কেমন খেলতে হবে, কোন শট খেলতে হবে, এমনকি কোন দিকে খেলতে হবে, সবই ওর মাথার মধ্যে প্রোগ্রামিং করা। আমাদের অভিজ্ঞরা কিন্তু সেটি পারে না। কারণ, তাদের টি-টোয়েন্টি খেলার অভ্যাস নেই।

আমাদের বিপিএলটা আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক করা দরকার। কেবল বিপিএলেই আটকে থাকলে চলবে না, ঘরোয়া ক্রিকেটে আরও অন্তত একটি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের আয়োজন করা দরকার। গতকাল কমেন্ট্রিতে ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইক আথারটন একটা কথা বলছিলেন, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সবচেয়ে রমরমা অঞ্চলের দেশ হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশ কেন টি-টোয়েন্টিতে পারে না, এর একটাই উত্তর, আমরা টি-টোয়েন্টি খেলি না।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন