বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শুধু যে একবার বলেছেন, এমন নয়। সুযোগ পেলেই ভারতকে বিশ্বের সেরা দল বানিয়েছেন বলে দাবি করছেন শাস্ত্রী। কিন্তু গৌতম গম্ভীরের এসব কথাবার্তা একদম ভালো লাগছে না। পূর্বসূরিকে বলেছেন, নিজের ঢোল নিজেই না পিটিয়ে অন্যদের পেটানোর সুযোগ দিতে।

টেস্ট ক্রিকেটে ভারতকে নতুন দিন দেখিয়েছেন কোহলি ও শাস্ত্রী। অস্ট্রেলিয়ায় টানা দুটি সিরিজ জিতেছে তারা। ইংল্যান্ডে অসমাপ্ত সিরিজেও এগিয়ে ছিল ভারত। কোহলিই প্রথম কোনো ভারতীয় অধিনায়ক হিসেবে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকায় টেস্ট জিতেছেন। শাস্ত্রী এই সাফল্যগাথার কথা টেনেই ভারত দলে নিজের সময়টা যে ব্যর্থ ছিল না, সেটা প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন।

default-image

এভাবে ঢাকঢোল পেটানোটাই পছন্দ হচ্ছে না গম্ভীরের। টাইমস নাও নবভারতকে বলেছেন, ‘একটা জিনিসে আমি খুবই বিস্মিত হচ্ছি, যখন আপনি ভালো করবেন, তখন তো এ নিয়ে গর্ব করার কিছু নেই। অন্যরা এ নিয়ে কথা বললে সমস্যা নেই; যখন ২০১১ বিশ্বকাপ জিতলাম, তখন কেউ বিবৃতি দিয়ে বেড়ায়নি, এ দল দেশের সেরা, বিশ্বের সেরা তো দূরে থাক।’

শাস্ত্রীর পর এখন ভারতের কোচ হয়েছেন রাহুল দ্রাবিড়। তাঁর অধীনে প্রথম সিরিজও খেলে ফেলেছে ভারত। নিউজিল্যান্ডকে ধবলধোলাই করেছে দ্রাবিড়-রোহিত শর্মার দল। সিরিজ জেতার পর এ নিয়ে খুব বেশি আহ্লাদ করতে মানা করে দিয়েছেন। বলেছেন নিউজিল্যান্ড বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলে ভারতে যাওয়ায় ক্লান্ত থাকায় এ সিরিজের ফল নিয়ে বাগাড়ম্বর করা অনুচিত।

গম্ভীর দ্রাবিড়ের এ গুণের কথাটাই তুলে ধরেছেন শাস্ত্রীর সমালোচনায়, ‘আপনি যখন জিতবেন, তখন অন্যদের এ নিয়ে কথা বলতে দিন। আপনি অস্ট্রেলিয়ায় জিতেছেন, সন্দেহ নেই এটা অনেক বড় অর্জন। আপনি ইংল্যান্ডে জিতেছেন, ভালো করেছেন, এতেও কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু অন্যরা আপনার প্রশংসা করুক না। রাহুল দ্রাবিড় কখনো এমন বিবৃতি দেবেন না, ভারত ভালো খেলুক বা খারাপ, তাঁর বিবৃতি সব সময় সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে। এবং তাতে অন্য খেলোয়াড়দের কথাই থাকে।’

গম্ভীর সবাইকে বিনয়ী হতে বলেছে। এবং তাঁর আশা দ্রাবিড়ের স্পর্শে ভারত দলের সংস্কৃতিতে বদল আসবে, ‘ভালো খেলুন বা খারাপ খেলুন, বিনয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ক্রিকেট আজীবন চলবে না। আমার ধারণা দ্রাবিড়ের মূল লক্ষ্য হবে খেলোয়াড়দের আগে ভালো মানুষ করা।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন