বিজ্ঞাপন

প্রথম ওয়ানডেতে টপ অর্ডার থেকে তামিম ইকবাল রান করলেও দ্বিতীয় ওয়ানডেতে তামিমের সঙ্গে ব্যর্থ হন সাকিব আল হাসান ও লিটন দাস। এরপর দলের ইনিংস টানার পুরো দায়িত্বটা নিতে হয় মুশফিককে। কঠিন হলেও এই দায়িত্বের সঙ্গে মুশফিকের পরিচিতি অনেক দিনের। সে জন্যই হয়তো শুরুর ধসের জন্য সব সময় প্রস্তুত থাকেন তিনি, ‘এমন পরিস্থিতির জন্য আমরা মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকি। আমরা শুরুর ১০ ওভারে উইকেট হারাতে চাই না। কিন্তু অনেক সময় হয় না। তাই প্রস্তুতিটাও সেভাবে নেই। সব সময় নতুন বলে অনুশীলন করি। এটা আমার জন্য নতুন কিছু না।’

default-image

তামিম, সাকিবদের ব্যর্থতার দিনে তরুণদের সুযোগ ছিল ভালো করার। কিন্তু লিটনের পর মিডল অর্ডারে মোসাদ্দেক হোসেন ও আফিফ হোসেন সেই সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেননি। মুশফিকের যা একটু হতাশা এই তরুণদের নিয়েই, ‘আজ একটা সুযোগ ছিল যেহেতু তামিম, সাকিবরা রান করেনি। লিটন, আফিফ বা মোসাদ্দেকদের সুযোগ ছিল ভালো করার। ওরা চেষ্টা করেছে। আশা করি, ওরা আরও পরিণত হওয়ার চেষ্টা করবে। আমি খুবই খুশি হব, যদি এখান থেকে ওরা দ্রুত শিক্ষাটা নিতে পারে।’

প্রতিটি সেঞ্চুরিই আমার কাছে বিশেষ কিছু, যদি আমার দল জেতে।
মুশফিকুর রহিম

তবু দিন শেষে প্রথমবারের মতো শ্রীলঙ্কাকে সিরিজে হারানোর ম্যাচে সেঞ্চুরি করতে পেরে মুশফিককে তৃপ্তই মনে হলো, ‘প্রতিটি সেঞ্চুরিই আমার কাছে বিশেষ কিছু, যদি আমার দল জেতে। সেদিক থেকে অবশ্যই বিশেষ কিছু। এটা আরেকটু বিশেষ সেঞ্চুরি; কারণ, আমরা শ্রীলঙ্কার সঙ্গে কখনো সিরিজ জিতিনি। এই সেঞ্চুরির কারণে জিততে পেরেছি।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন