বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশের হয়ে পাওয়ারপ্লেতে দ্রুত রান তোলার দায়িত্বটা মূলত লিটনেরই। আরেক ওপেনার তামিম ইকবাল ৪০ ওভার পর্যন্ত টিকে থাকার চেষ্টায় খেলেন। শুরুতে সময় নিয়ে মাঝের ওভারে রানের গতি বাড়ান স্পিনারের বিপক্ষে চড়াও হয়ে। আজ লিটন ক্রিজে থাকলে হয়তো পাওয়ারপ্লে রানটা ৪০–এর জায়গায় হতো ৫০। তবু বাংলাদেশ পাওয়ারপ্লে ব্যাটিংয়ে বাকিদের থেকে অনেকটাই পিছিয়ে।

বাংলাদেশ প্রথম দশ ওভারের মন্থর ব্যাটিংটা পুষিয়ে দেয় শেষ দশ ওভারের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে। গত বিশ্বকাপের পর থেকে যেমন ডেথ ওভারে বাংলাদেশের রান রেট ৮.৯১। শেষ দশ ওভারের ব্যাটিংয়ে বাকি সব দলের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ। ভারত যেমন ওভার প্রতি ৮.৭৩ রান করে তোলে ডেথ ওভারে। আটের বেশি রান রেট আছে নিউজিল্যান্ড (৮.৭১) ও পাকিস্তানের (৮.২৪)। আজ যদিও শেষ দশ ওভারে ৬৪ রান তুলেছে বাংলাদেশ।

default-image

ভারত, নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তান অবশ্য ব্যাটিং পাওয়ারপ্লেতে বাংলাদেশের চেয়ে দ্রুতই রান তোলে। এই তিন দলেরই পাওয়ারপ্লে রান রেট সাড়ে পাঁচের আশপাশে। প্রথম দশ ওভারের সাড়ে পাঁচ থেকে শেষ দশ ওভারে সাড়ে আটে লাফ দেওয়া মানে এই দলগুলো ধারাবাহিকভাবে সাধারণত বড় রানই করে।

বাংলাদেশের গল্পটা ভিন্ন। শুরুতে একটু বেশিই মন্থর ব্যাটিং করায় শেষের প্রায় নয় রান রেটও বেশ অনেকটা ফিকে হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে আদর্শ হচ্ছে ইংল্যান্ড। আদর্শ ওয়ানডে ব্যাটিংয়ে ভবিষ্যৎটা ইংল্যান্ডই দেখিয়ে আসছে গত পাঁচ বছর ধরে। তাদের ইনিংসের শুরুটাই হয় ওভারপ্রতি ৬ রান করে এবং ইনিংসজুড়ে রান রেট ৬–এর নিচে নামেই না। ডেথ ওভারে দিয়ে সেই রান রেট গিয়ে ঠেকে ওভার প্রতি ৭.০৯ রানে।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন