প্রিটোরিয়াসের জবাব ছিল না পাকিস্তানের কাছে।
প্রিটোরিয়াসের জবাব ছিল না পাকিস্তানের কাছে।ছবি: এএফপি

প্রথম টি-টোয়েন্টিতে সেঞ্চুরি করেছিলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। ৬৪ বলে ১০৪ রানের সে দুর্দান্ত ইনিংসে পাকিস্তানও পেয়েছিল ৩ রানের জয়। ফর্ম ধরে রেখেছেন পাকিস্তানের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ফিফটি পেয়েছেন রিজওয়ান। তবে স্ট্রাইকরেট অনেকটাই কমে এসেছে তাঁর। ৪১ বলে ৫১ রানের ইনিংস যখন একটি দলের সর্বোচ্চ হয়ে থাকে, তখন সেটা উল্টো বিপদের কারণ হয়।

দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তানের বাকি সব ব্যাটসম্যানই ব্যর্থ হয়েছেন। দক্ষিণ আফ্রিকান পেসার ডোয়াইন প্রিটোরিয়াসের সামনে মুখ থুবড়ে পড়েছেন সবাই। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে টি-টোয়েন্টিতে সেরা বোলিং করা প্রিটোরিয়াসের কারণে নির্ধারিত ২০ ওভারে মাত্র ১৪৪ রান করেছিল পাকিস্তান। সে রান ২২ বল ও ৬ উইকেট হাতে রেখে পেরিয়েছে সফরকারীরা।

বিজ্ঞাপন

প্রথমে ব্যাট করে পাকিস্তান ৭ উইকেট হারিয়েছে। এর ৫টিই নিয়েছেন প্রিটোরিয়াস। ৪ ওভার বল করে মাত্র ১৭ রান দিয়েই পাকিস্তানের এ সর্বনাশ করেছেন ডানহাতি পেসার। রিজওয়ান ছাড়া পাকিস্তানের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সাতে নামা ফাহিম আশরাফের। ১২ বলে ৩০ রানের এই ইনিংসেই পাকিস্তানের সংগ্রহ দেড় শর কাছাকাছি গেছে। অধিনায়ক বাবর আজম তাই এ নিয়েই দুঃখ করলেন, ‘আমাদের ব্যাটিং ভালো হয়নি। মাঝের ওভারে যথেষ্ট রান করতে পারিনি। জুটি গড়তে পারিনি। প্রথম ম্যাচের মতো একই রকম উইকেট ছিল কিন্তু বোলিংয়েও কিছু ভুলের মাশুল দিয়েছিল। আশা করি, আগামীকাল ভিন্ন ফল পাব।’

default-image

টি-টোয়েন্টি সিরিজে সমতা সহজেই এনেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথম ওভারেই উইকেট হারালেও রানের গতিটা শুরু থেকেই ভালো ছিল দলটির। তৃতীয় ওভারে দ্বিতীয় উইকেট হারানোর পর দলকে টেনেছেন ওপেনার রিজা হেনড্রিকস ও পিটে ফন বিলিওন। ৭৭ রানের জুটিতে বিলিওন থিতু হতে বেশ সময় নিয়েছেন। তবে অন্য প্রান্তে হেনড্রিকস দ্রুত রান তোলায় সেটা চাপ হয়ে ওঠেনি। পরে অবশ্য রানে ঠিকই হেনড্রিকসকে ধরে ফেলেছেন বিলিওন। দুজনই করেছেন ৪২ রান।

৭ রানের মধ্যে এ দুজন আউট হওয়ায় আশা জেগেছিল পাকিস্তানের। কিন্তু ৪৫ বলে মাত্র ৪০ রান নেওয়ার লক্ষ্যে পা ফসকায়নি প্রোটিয়াদের। ডেভিড মিলার (২৭ *) ও হেনরিখ ক্লাসেন (১৭ *) কাজটা ২৩ বলেই সেরেছেন।

বিজ্ঞাপন
ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন