এ প্রজন্মের সেরা বোলার কে? অ্যান্ডারসন নাকি স্টেইন—এমন তর্ক আসে প্রায়ই। অবশ্য স্টেইন আগেই বলেছিলেন, অ্যান্ডারসনের মতো স্কিল নেই তাঁর। তবে স্টেইনের বিদায়বেলায় ‘রায়’টা দিলেন অ্যান্ডারসন নিজেই। ভালোবাসার ইমোজির আগে লিখলেন, ‘সেরা’।


দীর্ঘদিন একসঙ্গে খেলেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে। ‘দারুণ খেলোয়াড়, দারুণ মানুষ, অসাধারণ সব স্মৃতি’—এসবের সঙ্গে বিদায়বেলায় কিংবদন্তি সতীর্থের গান বাছাইয়ের প্রশংসাও করলেন এবি ডি ভিলিয়ার্স!

স্টেইনের বোলিংয়ে এমন কিছু আছে, জেমস নিশামকে যা খুশি করত। সেই স্টেইনের অবসরের ঘোষণার পর নিউজিল্যান্ড অলরাউন্ডার বলছেন, এবার অন্য সুখের খোঁজ করতে হবে তাঁকে!

স্টেইন তাঁর বিদায়কে বলেছেন ‘অম্লমধুর অভিজ্ঞতা’ হিসেবে। ওয়াসিম আকরাম বলছেন, ফাস্ট বোলারের ক্যারিয়ার আসলে এমনই। ভবিষ্যত প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা জোগাবে স্টেইনের ক্যারিয়ার, সাবেক পাকিস্তান অধিনায়কের আশা এমনই।

রায়ান হ্যারিসের ক্যারিয়ার নিয়ে হয়তো আক্ষেপ আছে অনেকেরই। চোটের কারণে যে দীর্ঘ হয়নি সেটা। স্টেইনের ক্যারিয়ারকে তাই অবিশ্বাস্য মনে হতেই পারে সাবেক অস্ট্রেলিয়ান পেসারের।

ধারাবাহিকভাবে স্টেইনের মতো এত ভালো বোলিং কাউকে করতে দেখেননি শেন ওয়াটসন। শুধু তাই নয়, সাবেক অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার বলছেন, তাঁর ধারণা, স্টেইন কখনোই কোনো বাজে বল করেননি তাঁকে!

২০ বছর ধরে ফাস্ট বোলিংয়ের মানদণ্ডটা ঠিক করে দিয়েছেন স্টেইনই, মনে করেন অস্ট্রেলিয়ার প্যাট কামিন্স।

স্টেইনের মতো ‘সর্বকালের সেরা’ কারও পাশে খেলতে পারাটাই ছিল কাগিসো রাবাদার আনন্দ।

তাঁর মতো কেউ নেই—স্টেইনকে নিয়ে বলছেন দীনেশ কার্তিক। অবশ্য মানুষ হিসেবে স্টেইন খেলোয়াড় স্টেইনের চেয়েও ভালো বলে মনে করেন ভারতের উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান।

কাউন্টি ক্রিকেটও মাতিয়েছিলেন ‘স্টেইন-গান’!

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন