বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া দুই দলই যে জয়ের জন্য উন্মুখ থাকবে, সেটি আর বলে দেওয়ার দরকার পড়ে না। ওয়েস্ট ইন্ডিজের উইকেটকিপার–ব্যাটসম্যান নিকোলাস পুরান তারপরও নিজেদের জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠার কথা বলেছেন আজ ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে, ‘বাংলাদেশের অবস্থাও আমাদের মতো। আমাদের জন্য ম্যাচটা চ্যালেঞ্জিং হবে। আমাদের এই জয়টা খুব দরকার।’ তবে স্পিন–সহায়ক শারজার উইকেট ও বাংলাদেশ দলের স্পিনশক্তি যে ক্যারিবীয়দের কাজটা কঠিন করে তুলতে পারে, সেটিও জানেন পুরান, ‘যেহেতু শারজায় খেলা, বাংলাদেশ দলেরও ভালো স্পিনার আছে। আমাদের কাজটা চ্যালেঞ্জিংই হবে।’

default-image

শারজার ছোট বাউন্ডারিও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে সাহায্য করতে পারে। দলটির বেশির ভাগ ব্যাটসম্যানই চার-ছক্কায় রান করে অভ্যস্ত। সেদিক থেকে শারজা ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য আদর্শ ভেন্যু। পুরানও ছোট বাউন্ডারির সুবিধা নিতে উন্মুখ, ‘এটা আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর ভালো সুযোগ। উইকেট কেমন হবে সেটি নিশ্চিত নয়। তবে আমাদের চোখ যে শুধু ছোট বাউন্ডারির দিকেই থাকবে তা নয়। আমরা আমাদের দক্ষতাও দেখাতে চাই। আমরা যদি সেটা করতে পারি তাহলে ফল আমাদের পক্ষে আসবেই।’

ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের বেশির ভাগ ক্রিকেটারের আবার বিপিএল খেলার অভিজ্ঞতা আছে। তাই বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটারদের সম্পর্কে ক্যারিবীয়দের জানাশোনাও যথেষ্ট। সে অভিজ্ঞতা শারজায় কাজে লাগাতে চান পুরান। এ ব্যাপারে তিনি বলছিলেন, ‘বিপিএল খেলার অভিজ্ঞতা আমাদের অনেক সাহায্য করবে। আমিও বাংলাদেশে কিছুটা হলেও সময় পার করেছি। শুধু আমি নই, আমাদের দলে অনেকেই বিপিএল খেলেছে। ওদের সঙ্গে খুব ভালো বন্ধুত্ব আমাদের। আমরা ওদের বুঝতে পারি, ওদের কাছ থেকে ভিন্ন কন্ডিশনে কীভাবে খেলতে হয় সেটি শিখতে পারি। আমরা জানি ওরা কী করতে পারে এবং তাদের খেলার সঙ্গে আমরা বেশ পরিচিত। এটা অবশ্যই আমাদের ব্যাটসম্যান ও বোলারদের সাহায্য করবে।’

default-image

তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বিশ্বকাপে টিকিয়ে রাখার ম্যাচে সুযোগ পেলে নায়ক হতে চান পুরান নিজেই। দলের প্রয়োজনে যেকোনো জায়গায় ব্যাটিং করে খেলতে চান বিধ্বংসী ইনিংস, ‘এখন দল আমার কাছে যা চাইবে আমি তাই করব। এখন টুর্নামেন্টে আমাদের যে অবস্থান, সেখান থেকে বের হতে হলে ম্যাচ জেতানো পারফরম্যান্স দরকার। সেটা যে দায়িত্বেই হোক না কেন, দলের প্রয়োজনে আমি সেটাই করব।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন