বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ১৮ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ৫৩ রান করে আবাহনী। বৃষ্টি আইনে ১৫ ওভারে ৪৯ রানের লক্ষ্য পায় বিকেএসপি। খুব সহজেই ১০.৫ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় তারা।

খেলোয়াড়দের মতে, নারী ক্রিকেটারদের নিয়ে বিকেএসপিতে এই প্রথম এত বড় টুর্নামেন্টের আয়োজন হলো। এ ব্যাপারে বিকেএসপির মহাপরিচালক মাজহারুল হক বলেন, ‘আমাদের দেশের নারী ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ খুবই উজ্জ্বল। আগামী বছর আমরা প্রথমবারের মতো নারী ক্রিকেটে ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলব। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে নারী ক্রিকেটারদের নিয়ে এ রকম একটি টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত। এ ধরনের টুর্নামেন্ট আয়োজনে বিকেএসপির প্রশিক্ষণার্থীরা প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব গড়ে তুলতে সক্ষম হবে এবং নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করার সুযোগ পাবে।’

কয়েক দিন আগে প্রথমবারের মতো নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ ক্রিকেটে খেলার সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ। করোনার অমিক্রন ধরন ছড়িয়ে পড়ায় জিম্বাবুয়েতে বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব বাতিল হয়েছে। র‍্যাঙ্কিংয়ের হিসাবে এগিয়ে থাকায় বিশ্বকাপের টিকিট পেয়ে গেছেন বাংলাদেশের মেয়েরা। জিম্বাবুয়ে থেকে দেশে ফিরে বর্তমানে কোয়ারেন্টিনে আছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। তাঁরা থাকতে না পারলেও দেশের বাকি সেরা নারী ক্রিকেটাররা খেলছেন টুর্নামেন্টটিতে। জাতীয় দলে খেলা সানজিদা ইসলাম, শারমিন সুলতানা, সুরাইয়া আজমিনরা এখন বিকেএসপিতেই খেলার জন্য অবস্থান করছেন।

প্রতিষ্ঠানটির সাবেক ছাত্রী ও জাতীয় দলের ক্রিকেটার সানজিদা বলেন, ‘আমরা বিকেএসপিতে পড়াশোনাকালীন কখনোই নারী ক্রিকেট নিয়ে আলাদা কোনো টুর্নামেন্ট হয়নি। সেখানে এবার এত বড় একটা টুর্নামেন্ট ভাবাই যায় না। প্রিমিয়ার লিগের সেরা সব দল খেলছে। এটা আমাদের জন্য খুবই ভালো একটা খেলার সুযোগ। বিকেএসপিকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমাদের খেলার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।’

কয়েক দিন আগে বিকেএসপি ও নেপাল জাতীয় ক্রিকেট দলের মধ্যে আয়োজিত হয় বঙ্গবন্ধু বিকেএসপি ওমেন কাপ ফ্রেন্ডশিপ টি–টোয়েন্টি সিরিজ। তিন ম্যাচের সিরিজে ২–১ ব্যবধানে জিতেছিল নেপাল।