আগে ব্যাট করে ২৭০ রান করে সিটি ক্লাবের বিপক্ষে জয়ের আশাই করছিল ব্রাদার্স। ধীমান ঘোষের ৫১, আমিনুল ইসলামের ৪০ রানের পর সোহাগ গাজীর ২৭ বলে ৪৮ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে ব্রাদার্সকেই ফেবারিট মনে হচ্ছিল। কিন্তু টানা দুই ম্যাচ জিতে আসায় রান তাড়া করার আত্মবিশ্বাস ছিল সিটি ক্লাবের শিবিরে।

ভালো শুরুর পর ১৪৪ রানে ৫ উইকেট হারালেও লড়াই করে যায় দলটি। অধিনায়ক জাওয়াদ রোয়েন ও নাজমুল হোসেন ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে ৮৩ রান যোগ করলে সিটি ক্লাবের জয়ের সম্ভাবনা বাড়ে। তবে জিততে হলে শেষ পর্যন্ত জাওয়াদকে টিকে থাকতেই হতো। আমিনুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে সময়ের দাবিটা ঠিকই মেটান সিটি ক্লাবের অধিনায়ক।

শেষ ওভারে সিটি ক্লাবের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৬ রান। শেষ বলে সমীকরণ এসে ঠেকে ১ বলে ৩ রানে। স্ট্রাইকে থাকা জাওয়াদ ব্রাদার্সের পেসার আবু হায়দারের বলে কাভার দিয়ে চার মেরে সিটি ক্লাবকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন। ৬৬ বল খেলে জাওয়াদ অপরাজিত থাকেন ৭৯ রান করে। ৫টি চার ও ৩টি ছক্কা ছিল তাঁর ইনিংসে। ম্যাচসেরাও হয়েছেন সিটি ক্লাবের অধিনায়ক।

পাশের মাঠে রূপগঞ্জ ও শাইনপুকুরের ম্যাচটি ছিল ‘লো স্কোরিং থ্রিলার’। রূপগঞ্জ আগে ব্যাট করে ২১৫ রানে অলআউট হয়। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ খেলে আসা অলরাউন্ডার রিপন মণ্ডল সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নিয়েছেন।

রান তাড়া করতে নেমেও রিপনই হয়ে ওঠেন শাইনপুকুরের ভরসার প্রতীক। দুই ম্যাচ আগেও রূপগঞ্জ টাইগার্সের বিপক্ষে অপরাজিত ২৮ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচ জিতিয়েছিলেন রিপন। আজ অবশ্য আর পারেননি।

শেষ দুই ওভারে জয়ের জন্য শাইনপুকুরের দরকার ছিল ১৮ রান। ৪৯তম ওভারে একটি ছক্কাসহ মোট ৯ রান নিয়েছেন রিপন। কিন্তু সেই ওভারের শেষ বলে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হয়ে যান নাইমুর রহমান। শেষ পর্যন্ত ৯ রানের জয় নিয়ে পয়েন্ট তালিকায় তৃতীয় স্থান পাকা করে রূপগঞ্জ। মেহেদী হাসান সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নিলেও অলরাউন্ড নৈপুণ্যে (৩২ রান ও ২/২৩) ম্যাচসেরা হন নাঈম ইসলাম। আগের ম্যাচে ৪ উইকেট নেওয়া মাশরাফি আজ ১৬ বলে ১৪ রান করার পর বোলিংয়ে ৪৭ রানে নিয়েছেন ১ উইকেট।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন