বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আগে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৫৯ রান তুলেছিল নামিবিয়া। সংযুক্ত আরব আমিরাত তাড়া করতে নেমে ফ্রাইলিঙ্কের পেসের সামনে দাঁড়াতে পারেনি।

২৪ রানে ৬ উইকেট নেন ফ্রাইলিঙ্ক, ছেলেদের টি-টোয়েন্টিতে আইসিসির সহযোগী দেশগুলোর মধ্যে এটাই সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড। শুধু তা–ই নয়, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটি চতুর্থ সেরা বোলিংয়ের নজির।

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড ভারতের পেসার দীপক চাহারের। ২০১৯ সালে নাগপুরে বাংলাদেশের বিপক্ষে মাত্র ৩.২ ওভারে ৭ রানে ৬ উইকেট নেন চাহার। এরপর দ্বিতীয় ও তৃতীয় সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড শ্রীলঙ্কার সাবেক ‘রহস্য’–স্পিনার অজন্তা মেন্ডিসের।

২০১২ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৪ ওভারে ৮ রানে ৬ উইকেট নিয়ে মেন্ডিসের গড়া রেকর্ডটাই দুই বছর আগে ভাঙেন চাহার। এর আগে নিজের রেকর্ড নিজেই ভেঙেছিলেন মেন্ডিস। ২০১১ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৬ রানে নেন ৬ উইকেট, নিজের সেই রেকর্ড পরের বছরই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ভাঙেন মেন্ডিস।

ফ্রাইলিঙ্কের রেকর্ডটি এ তালিকায় চতুর্থ হলেও বোলারসংখ্যা বিচারে তিনি তৃতীয়, দীপক চাহার ও অজন্তা মেন্ডিসের পরই ফ্রাইলিঙ্ক। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে বেশ কয়েকটি যুব ওয়ানডে খেলেছেন তিনি।

ওয়ানডেতেও স্মরণীয় এক কীর্তি রয়েছে ২৭ বছর বয়সী এ অলরাউন্ডারের। ২০১৯ সালে উইন্ডহকে ওমানের বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচেই ১৩ রানে নিয়েছিলেন ৫ উইকেট। ওয়ানডে অভিষেকে সেটি এখনো তৃতীয় সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড।

সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড কাগিসো রাবাদার এবং এখানেও প্রতিপক্ষ সেই বাংলাদেশ! ২০১৫ সালে ঢাকায় বাংলাদেশের বিপক্ষে অভিষেকে ১৬ রানে ৬ উইকেট নেন প্রোটিয়া পেসার। ২০০৩ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেকে ২২ রানে ৬ উইকেট নেন ফিদেল এডয়ার্ডস।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন