বিজ্ঞাপন
default-image

তামিমের পক্ষে সবচেয়ে বড় যুক্তি তাঁর পরিসংখ্যান। অভিষেকের পর থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ১৩৫টি ম্যাচ খেলে তাতে ২৯.৮৫ গড় ও ৭৮ স্ট্রাইক রেটে ৩৯৭১ রান করেছেন তামিম। ২০১৫ সালের শুরু হতে এখন পর্যন্ত ৭৮টি ম্যাচ খেলে ৩৪৮১ রান তুলেছেন ৫০ ছাড়ানো গড় ও ৮০ স্ট্রাইক রেটে। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১৩টি সেঞ্চুরির ৯টিই এসেছে গত পাঁচ বছরে।

অধিনায়ক তামিমকে প্রশ্ন করা হয়েছিল লিটন দাস, সৌম্য সরকারের ধারাবাহিকতা নিয়েও। ক্যারিয়ার শুরুর পর পাঁচ-ছয় বছর পেরিয়ে গেলেও নিয়মিত ভালো খেলার ব্যাপারটি এখনো দেখা যাচ্ছে না এ দুজনের মধ্যে। অথচ সামর্থ্য নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। অধারাবাহিকতা তাঁদেরও যেমন ক্ষতি করছে, ঠিক তেমনি দলকেও ভোগাচ্ছে।

default-image

লিটন যেমন সবশেষ ছয় ওয়ানডেতে ওপেন করে একটি ফিফটিও পাননি। সৌম্যও নিউজিল্যান্ডে তিন ওয়ানডে খেলেছেন, কিন্তু কোনো ফিফটি নেই। অধিনায়ক হিসেবে তামিম অবশ্য এখনই ধৈর্য হারাচ্ছেন না।

বরং এই শ্রীলঙ্কা সিরিজকেই তিনি সৌম্য-লিটনের বাঁক বদলের সিরিজ হিসেবে দেখতে চান, ‘আমি আশা করি, এ সিরিজে ওরাই পারফরম্যান্স দিয়ে নেতৃত্ব দেবে। এ দুজনের অনেক প্রতিভা আছে। ওদের এখন প্রতিভা কাজে লাগাতে হবে। আমার মনে হয় না যে ওরা এখন পর্যন্ত কোনো কিছুই করেনি। ওরা পারফর্ম করেছে। যদি ওদের কাছ থেকে আরও বড় পারফরম্যান্স আসে, তাহলে দলের জন্য এর চেয়ে ভালো কিছুই হতে পারে না।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন