বিজ্ঞাপন
default-image

মাঠে তো আর ঢুকতে পারছিলেন না দর্শকেরা। তাই বিভিন্ন দিক থেকে তাঁরা তীর্যক মন্তব্য ছুড়ে দেন তাঁর স্ত্রীর দিকে। সেটা সহ্য করতে পারছিলেন না তাঁর স্ত্রী। এরপর কী হয়েছিল শোনা যাক মুরালি কার্তিকের কণ্ঠেই, ‘আমার স্ত্রী দৌড়ে বেরিয়ে গিয়েছিল। দর্শকেরা দুয়ো দিচ্ছিল, যা খুশি তা–ই বলছিল। এমনকি তারা জোর করে ড্রেসিংরুমে ঢুকে যেতে চাইছিল।’

পুরোনো স্মৃতি সম্প্রতি কার্তিক ভাগাভাগি করেছেন ইউটিউবে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের সঙ্গে আলাপচারিতায়। ল্যাঙ্কাশায়ার, মিডলসেক্স, সমারসেট ও সারের হয়ে কাউন্টি ক্রিকেটে খেলা কার্তিক অশ্বিনের সঙ্গে কথোপকথনে অবশ্য ওই মানকাড আউটে নিজের দোষ দেখেন না।

default-image

ইউটিউবে কথা বলার সময় ভারতের সাবেক বাঁহাতি স্পিনার মুরালি কার্তিক বলেছেন, ‘আমি ব্যাটসম্যানকে তিনবার সতর্ক করেছি। তারা এ বিষয়টি নিয়ে কখনোই কিছু বলেনি। সতর্ক করা সত্ত্বেও তারা বোলারকেই দোষ দেয়।’ কিন্তু দর্শকদের দুয়ো বা অন্যদের চোখে দোষী হওয়ার পরও এমন সুযোগ পেলে কাউকেই ছাড়তেন না মুরালি, ‘ডেলিভারি দেওয়ার আগে এভাবে ক্রিজ থেকে বেরিয়ে গেলে আমি ১১ জন ব্যাটসম্যানকেই মানকাড আউট করতে তৈরি ছিলাম।’

মানকাড আউট করার ঘটনা মুরালি কার্তিকের ক্যারিয়ার ওটাই প্রথম ছিল না। কিন্তু ব্যারোকে আউট করার ওই ঘটনাই বেশি হইচই ফেলেছিল। এর কারণটাও জানালেন মুরালি কার্তিক, ‘আমি এমন আউট এর আগেও ৫ বার করেছি। কিন্তু সমারসেটের বিপক্ষে মানকাড আউট করেছি বলে এটা বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল। ওই ক্লাবটিতে আমি তিন বছর খেলেছি। আর আমি সারেতে চলে গিয়েছিলাম বলে সমারসেটের মানুষ এমনিতেই খ্যাপা ছিল।’

default-image

নিজের স্ত্রীকে এভাবে অপমানিত হতে দেখাটা অবশ্য ভালো লাগেনি মুরালি কার্তিকের, ‘আমার বিরুদ্ধে তাদের অনেক অভিযোগ ছিল। তারা বলেছিল, আমার স্ত্রী শহুরে জীবন ভালোবাসে বলেই আমি লন্ডনে চলে গেছি। তারা এ–ও বলেছে যে আমাকে আরও বেশি অর্থ দেওয়া উচিত ছিল।’

সেই সময়ে ইংল্যান্ড–শ্রীলঙ্কা সিরিজ চলছিল। সেই সিরিজে ধারাভাষ্যকারেরা মুরালি কার্তিকের বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা করেছিলেন বলেও মনে করতে পারেন তিনি, ‘মাইকেল হোল্ডিং, নাসের হুসেইন আর ডেভিড লয়েডরা সবাই বলছিলেন মুরালি কার্তিক কি ঠিক কাজ করেছে, নাকি ভুল করেছে। তাঁরা সবাই বলেছিলেন, কার্তিক ঠিক করেছে। ব্যাটসম্যানই ভুল করেছে।’

আলোচনার শেষ দিকে কথা হয় জস বাটলারকে ২০১৯ সালের আইপিএলে অশ্বিনের করা মানকাডিং নিয়েও। এ ক্ষেত্রেও ক্রিকেট বিশ্ব দুই ভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছিল। কার্তিক সেটি নিয়ে বলেছেন, ‘তুমি যখন জস বাটলারকে মানকাডিং করেছিলে, তখন আমি টুইটারে সবাইকে প্রশ্ন করেছি, “কীভাবে আপনারা বোলারকে দায় দিচ্ছেন?”

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন