বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২০১৬ সালে এই চট্টগ্রামেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক তাঁর। প্রথম সিরিজেই উইকেটের বন্যা বইয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর অফ স্পিনে দিশেহারা হয়ে পড়েছিল ইংলিশরা। যুবদলের অধিনায়কত্ব করেছেন। তখনই জানা ছিল অফ ব্রেকের পাশাপাশি ব্যাটিংয়ের সামর্থ্য তাঁর যথেষ্টই। কিন্তু জাতীয় দলের কেন যেন ব্যাটিংটা ফুল হয়ে ফোটেনি। তবে নিচের দিকে নেমে প্রয়োজনীয় রান সব সময়ই এসেছে তাঁর ব্যাট থেকে। আজ তিনি নিজের ব্যাটিং সামর্থ্যের কথা নতুন করে জানান দিলেন। তিনি নিজেও হয়তো বুঝলেন এত দিন নিজের এই সামর্থ্যকে অবহেলাই করেছেন মিরাজ।

২০১৮ সালের নভেম্বরের পর টেস্টে পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস খেলেছেন মিরাজ। এটাকেই রূপ দিয়েছেন সেঞ্চুরিতে। সর্বশেষ ফিফটিটি তাঁর এসেছিল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে, ঢাকার শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে। তাঁর টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথম ফিফটিটি ছিল অবশ্য হায়দরাবাদে, ভারতের বিপক্ষে, ২০১৭ সালে। গত ১২ ইনিংসে তাঁর সর্বোচ্চ রান ছিল ৩৮।

নিজেকে নতুন করে জানান দেওয়ার দিনে বাংলাদেশ সব কটি উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে তুলেছে ৪৩০। ব্যাট হাতে দায়িত্ব সেরেছেন। এখন নিজের বোলিং সামর্থ্যকে ব্যবহার করার পালা মিরাজের।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন