বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চোটের কারণে চট্টগ্রাম টেস্টের দলে নেই সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল ও তাসকিন আহমেদ। বাংলাদেশের সর্বশেষ টেস্টের দলে থাকা মাহমুদউল্লাহ এর মধ্যেই এই সংস্করণকে বিদায় বলেছেন।

হুট করেই মূল দলের চার খেলোয়াড় না থাকা একটা বড় ধাক্কা তো অবশ্যই। মাহমুদউল্লাহ টেস্ট খেলবেন না—এটা কিছুটা অনুমিতই ছিল। তবে সাকিব ও তামিমকে পাওয়ার আশা তো কিছুদিন আগেও ছিল। আর তাসকিনের চোটটা তো একেবারেই অপ্রত্যাশিত। এই সিরিজে তাই বেশ কয়েকজন অনভিজ্ঞ ও নতুন ক্রিকেটার সুযোগ পাবেন।

default-image

চট্টগ্রাম টেস্ট দিয়ে অভিষেক হতে পারে দীর্ঘদিন দলের সঙ্গে থাকা তরুণ ব্যাটসম্যান ইয়াসির আলীর। বদলের হাওয়া লাগতে পারে টপ অর্ডারেও। তামিম না থাকায় ওপেনার সাদমান ইসলামের সঙ্গে ইনিংসের সূচনা করতে দেখা যেতে পারে সাইফ হাসানকে। ‘ব্যাকআপ’ ওপেনার হিসেবে প্রথমবারের মতো দলে ডাক পাওয়া মাহমুদুল হাসানও পরে ফেলতে পারেন নিজের প্রথম টেস্ট ক্যাপ।

সব মিলিয়ে টেস্ট দলের প্রায় নতুন চেহারা। মুমিনুলের এই তরুণ টেস্ট দল কোন পথে এগোচ্ছে, সেটিই হয়তো বোঝা যাবে এবারের পাকিস্তান সিরিজ ও আগামী মাসের নিউজিল্যান্ড সফরে। এটা যে খুব বড় একটা চ্যালেঞ্জ, সেটা জানেন মুমিনুলও।

চট্টগ্রাম টেস্টের জন্য আজ জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুশীলন শেষে অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ টেস্ট অধিনায়ক বলেছেন, ‘টেস্টে ম্যাচে সব সময় অভিজ্ঞদের দরকার বেশি হয়। সাকিব ভাই, তামিম ভাই, তাসকিন—অভিজ্ঞরা না থাকলে একজন তরুণ অধিনায়ক হিসেবে আমার কাজটা কঠিন হয়ে যায়।’

default-image

সামনের দুটি সিরিজকে বড় পরীক্ষা মনে করেন মুমিনুলও, ‘আমাদের চারজন ক্রিকেটার নেই। এটা চ্যালেঞ্জিং হবে। আমার আর মুশফিক ভাইয়ের বাড়তি দায়িত্ব নিতে হবে। তবে বাংলাদেশ দলের টেস্ট ক্রিকেট কোন দিকে যাচ্ছে, এই সিরিজ ও পরের সিরিজে সেটা দেখতে পাবেন।’

ঘরের মাঠের পাকিস্তান সিরিজ শেষের পর বাংলাদেশ দল যাবে নিউজিল্যান্ড সফরে। সেখানে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের আরও দুটি ম্যাচ খেলবেন মুমিনুলরা। সেই সিরিজ থেকেও আগেই ছুটি নিয়ে রেখেছেন সাকিব। চোটের কারণে সেই সিরিজে তামিমকেও পাওয়া নিয়ে শঙ্কা আছে।

নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশনে অভিজ্ঞ এ দুজনকে ছাড়া খেলা যে কত কঠিন হতে পারে, সেটি হয়তো এখনই আঁচ করতে পারছেন টেস্ট অধিনায়ক।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন