বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওয়ালটন মধ্যাঞ্চলের নতুন বলের বোলারদের বিপক্ষে এনামুল হক ও পিনাক ঘোষের জুটি দাঁড়িয়ে গিয়েছিল। ব্যাটিং পাওয়ার–প্লের প্রথম ১০ ওভারে ৪৪ রান আসায় বিসিবি দক্ষিণাঞ্চল বড় রানের আভাসই দিচ্ছিল। কিন্তু এরপরই ঘুরেফিরে সেই চেনা চিত্র।

বাঁহাতি স্পিন আর মিডিয়াম পেস চেপে ধরল দক্ষিণাঞ্চলকে। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত ৪৮.৫ ওভারে ১৬৩ রানে থেমেছে দক্ষিণাঞ্চলের ইনিংস। প্রথম শ্রেণির টুর্নামেন্ট বিসিএলের শিরোপা জয়ের পর ইনডিপেনডেন্স কাপের ফাইনালেও জয়ের সুবাস পাচ্ছে মধ্যাঞ্চল।

default-image

দক্ষিণাঞ্চলের ইনিংসে ছন্দপতন শুরু হয় ১২তম ওভারে। নাজমুল ইসলামের বাঁহাতি স্পিনে এনামুল ২০ রান করে আউট হলে ভাঙে ৫১ রানের উদ্বোধনী জুটি। দারুণ খেলতে থাকা পিনাক ঘোষ ৩৫ রানে আউট হন সৌম্য সরকারের বলে।

এরপর দক্ষিণাঞ্চলে মিডল অর্ডারে ধস নামান মধ্যাঞ্চলের স্পিনাররা। তৃতীয় রাউন্ডের ম্যাচে অর্ধশতক করা তৌহিদ হৃদয় আজ রানের খাতাই খুলতে পারেননি। নাজমুলের বলে ক্যাচ তুলে আউট হন তিনি।

এরপর হাসান মুরাদ ও মোসাদ্দেক হোসেনের ঘূর্ণি–দাপট দেখেছে দক্ষিণাঞ্চল। অধিনায়ক জাকির হাসান ও অমিত হাসান মিলে ৩৪ রানের জুটি গড়ে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। ২৮তম ওভারে মোসাদ্দেকের বলে জাকির বোল্ড হন।

পরের ওভারে অমিতকেও বোল্ড করেন মোসাদ্দেক। জাতীয় দলের অলরাউন্ডার মেহেদী হাসানকে দাঁড়াতেই দেননি মুরাদ। নাহিদুল ইসলামের ৩১ রানের ইনিংস ছাড়া দক্ষিণাঞ্চলের কেউই দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছায়নি।

মধ্যাঞ্চলের হয়ে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন মোসাদ্দেক, সৌম্য, নাজমুল, মুরাদ ও মৃত্যুঞ্জয়।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন