বিজ্ঞাপন

সংবাদমাধ্যম আফ্রিদিকে অবশ্য জিজ্ঞেস করেছিল, তিনি বলেছিলেন, ‘আমরা একটা বিষয় নিয়ে মজা করছিলাম। আসিফ সেখানে আমার পক্ষ নেয়। শোয়েব তখন রেগে যায় আর এটা-ওটা হতে হতে অমন একটা ঘটনা ঘটে গেছে।’ এর বাইরে শোয়েবকে সুন্দর হৃদয়ের মানুষও বলেছিলেন আফ্রিদি।

default-image

ওদিকে ‘পিন্ডি এক্সপ্রেস’ শোয়েব আগেই তাঁর আত্মজীবনী ‘কন্ট্রোভার্সিয়ালি ইয়োরস’ বইয়ে সেই ঘটনা বাজে পর্যায়ে চলে যাওয়ার জন্য আফ্রিদিকে দায়ী করেছিলেন, ‘আফ্রিদি পরিস্থিতিটাকে আরও ফেনিয়ে তুলছিল। শেষ পর্যন্ত অবস্থা এমন পর্যায়ে গিয়েছিল যে আমি তাদের দুজনকেই ব্যাট দিয়ে বাড়ি দিই। আফ্রিদি কোনোভাবে সরে যেতে পেরেছে। কিন্তু আসিফ পারেনি।’

এখন মুখ খুললেন মোহাম্মদ আসিফ। পাকিস্তানের সাবেক এ পেসার মনে করেন, শোয়েব এ ঘটনা ১৩ বছর ধরে ফেনিয়ে ফেনিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছেন। তাঁর এসব ভুলে যাওয়া উচিত।

পাকিস্তানের ওয়েবসাইট ‘পাক প্যাশন’কে আসিফ বলেন, ‘২০০৭ সালে ড্রেসিংরুমের সেই ঘটনা ১৩ বছর ধরে বাঁচিয়ে রেখেছে শোয়েব আখতার। সে এ ঘটনা নিয়ে অনেক কথা বলেছে। কিন্তু আমি মনে করি, যথেষ্ট হয়েছে। কিছুদিন আগে তাকে ফোন করে বলেছি, মুখ বন্ধ করতে এবং ঘটনাটা ভুলে যেতে। এটা এখন অতীত। তাকে বলেছি, প্রতিটি সাক্ষাৎকারে এসব নিয়ে না বলে তরুণদের সে কীভাবে সাহায্য করতে পারে, সেসব নিয়ে কথা বলা উচিত। ভালো কিছু বলা উচিত। সে আজ পাকিস্তান ক্রিকেটের প্রধান নির্বাচক হতে চাইছে তো কাল প্রধান কোচ কিংবা পিসিবি চেয়ারম্যান হতে চায়। তার বাস্তবতায় ফেরার উচিত এবং ১৩ বছর আগে ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনা নিয়ে বারবার কথা না বলে তরুণদের সাহায্য করা উচিত।’

আসিফ পাকিস্তান ক্রিকেটে আক্ষেপের এক নাম। অমিত প্রতিভা নিয়ে আসা এই পেসারকে ধরা হচ্ছিল ওয়াসিম আকরাম ও ওয়াকার ইউনিসদের কাতারে।

default-image

২০১০ লর্ডস টেস্টে স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যায় আসিফের। পাকিস্তানের হয়ে ২৩ টেস্ট ও ৩৮ ওয়ানডে খেলা সাবেক এই পেসার ওয়াসিমদেরও ছাড়িয়ে যেতে পারতেন বলে মনে করেন অনেকে।

অন্যদিকে শোয়েব তাঁর ক্যারিয়ারে গতির ঝড় তুলে আলোচিত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দ্রুততম ডেলিভারির রেকর্ডটি এখনো তাঁর দখলে।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন